মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এলো, আসছে পাকিস্তান থেকেও

হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যেই মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের প্রথম চালান চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হয়েছে। পাকিস্তান থেকেও পেঁয়াজ এসে পৌঁছাবে দ্রুতই।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ৫৮ টন মিয়ানমারের পেঁয়াজের ছাড়পত্র ইস্যু করেছে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র।

পেঁয়াজের চালান খালাসে নিয়োজিত একজন সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রথমে দুই কনটেইনার পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। আগ্রাবাদের কায়েল স্টোর এ পেঁয়াজ আমদানি করে। এরপর আরও চার কনটেইনার পেঁয়াজ আসে পাকিস্তান থেকে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কাস্টম হাউসের পক্ষ থেকে এ চার কনটেইনার পেঁয়াজের এক্সামিন সম্পন্ন হয়েছে। আশাকরি আজকের মধ্যেই বন্দর থেকে খালাস নিতে পারব।

সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, চট্টগ্রামের আমদানিকারক কায়েল স্টোর মিয়ানমার থেকে ৫৮ টন পেঁয়াজ এনেছে। আমরা এ চালানের অনুকূলে ছাড়পত্র ইস্যু করেছি। আশাকরি, পাইপ লাইনে থাকা অন্যান্য আমদানিকারকের পেঁয়াজও দ্রুত দেশে ঢুকবে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজের সংকট মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর দ্রুত খালাসের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরীণ ‘গ্রুপ-১’শাখায় পেঁয়াজের চালান খালাসের অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

অর্থসূচক/কেএসআর