ডিএসইতে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই)। এতে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেসার পাঁচ সন্তানের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

স্বাধীন বাংলাদেশে ’৭৫ পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন পালন করতে পেরে আনন্দিত দেশের বৃহত্তম এক্সচেঞ্জ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড।

দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চতুর্থবারের মত দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।

জনগণের নেত্রী, জনগণের সুখ-দুঃখের সঙ্গী, বঙ্গবন্ধুকন্যার করোনা-মহামারীর কারণে তার জন্মদিন উদযাপন সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ তিনি জনগণের নেত্রী, জনগণের সুখ-দুঃখের সঙ্গী।

দোয়া মাহফিলে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী পুঁজিবাজারের সুদুরপ্রসারী উন্নয়নকল্পে ঢাকার নিকুঞ্জে স্বল্পমূল্যে চার বিঘা জমি বরাদ্ধ করে অত্যাধুনিক স্টক এক্সচেঞ্জ ভবন নির্মানে যে সহযোগিতা করেছেন তা পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা সারাজীবন মনে রাখবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পর সুদুরপ্রসারী বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। তার নিরলস প্রচেষ্টায় বিভিন্ন মেগাপ্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। আর এগুলো বাস্তবায়িত হলে উন্নত দেশে পরিনত হবে বাংলাদেশ।পরিশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে এবং পরমকরুনাময় আল্লাহর কাছে প্রধানমন্ত্রীর সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

পরে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ছানাউল হক প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে তাঁর দীর্ঘায়ু ও সু-স্বাস্থ্য কামনা করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর সু-স্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া করা হয়।