মুনমুনের খারাপ সময়ে পাশে দাঁড়ালেন ময়ূরী

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের বেশ আলোচিত একটি নাম মুনমুন। ১৯৯৭ সালে মৌমাছি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র অঙ্গনে যাত্রা শুরু তার। ১৯৯৭-২০০৩ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সাথেই অভিনয় করেছেন এই নায়িকা। আলোচনায় থাকার পাশাপাশি হয়েছেন বেশ সমালোচিতও। আর তাই ২০০৩ সালের পরে চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নেন মুনমুন।

সম্প্রতি টাংগাইলের সখিপুরে মসজিদের সামনে নেচে তোপের মুখে পড়েন তিনি। এর রেশ কাটতে না কাটতেই তার সংসার আবার ভাঙনের খবর মিডিয়ায় চাউর হয়। এসব নিয়ে বেশ খারাপ সময় পার করছেন এই নায়িকা। এমন সময় তার পাশে দাঁড়িয়েছেন চলচ্চিত্রাঙ্গনের অনেকেই।

মুনমুনকে সাহস দিয়েছেন গুণী নির্মাতা মালেক আফসারি, নব্বই দশকের আরেক চাহিদা সম্পন্ন নায়িকা ময়ূরী, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানসহ অনেকে।

সম্প্রতি মুনমুন ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন- জীবনে অনেক ঝড়ের মোকাবিলা করেছি ঠিক, কিন্তু এমন ঝড় আসতে পারে ভাবিনি কখনো। তবে কথায় আছে বিপদেই বন্ধুর পরিচয়। যারা আমাকে সহযোগিতা থেকে শুরু করে মানসিক সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের জানাই আমার অন্তর থেকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। শুরু থেকেই আমার উস্তাদ মালেক আফসারি স্যার সাহস দিয়েছেন, ভেঙে পড়তে না করেছেন, বলেছিলেন, দেখি কি করা যায়।

তিনি আরও লিখেন, ময়ূরী ছোট বোনটি আমার জন্য খুব মন খারাপ করেছে, বার বার সান্ত্বনা দিয়েছে। বোন তোকে প্রাণ ভরা ভালোবাসা।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের দশকে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে নগ্নতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিলো। এই সময়ে মুনমুন অভিনীত বেশ কিছু চলচ্চিত্রে নগ্নতা দেখা যায়। তবে মুনমুনকে কোন চলচ্চিত্রে নগ্নভাবে অভিনয় বা নৃত্য করতে দেখা যায়নি। এই সময়ে মুনমুন ছিলেন একজন প্রথম সারির নায়িকা। তাকে হেয় বা সমালোচিত করতে একটি মহল তার নামের পাশে অশ্লীল শব্দের ব্যবহার করা শুরু করে। তার নামের সাথে ওই মহলের সংশ্লিষ্টরা ‘বি’ গ্রেডের কিছু নায়িকার নাম জুড়ে দেয়াও শুরু করে। এসব দেখে মুনমুন চলচ্চিত্র ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 

অর্থসূচক/এএইচআর