বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষা স্থগিত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ বিষয়ে নোটিশ জারি করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বার কাউন্সিলের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মোখলেছুর রহমান বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) যে সকল কর্মচারীরা পরীক্ষার সময় কাজ করবেন তাদের সমস্যার কারণে আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী দিন ঠিক করা হয়নি।’

পরীক্ষা সংক্রান্ত গঠিত এনরোলমেন্ট কমিটি পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত তারিখ ঘোষণা করবে। এছাড়া পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে নোটিশ প্রকাশ করা হবে।

এর আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২৭ জুলাই বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীর লিখিত পরীক্ষার নেয়ার জন্য আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পূর্বে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে আইনজীবীদের সনদ প্রদান করা হতো। তবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের চাপ বাড়তে থাকায় আইনজীবী হতে বর্তমানে নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। আবার ওই তিন ধাপের যেকোনো একটি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা একবার উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী পরীক্ষায় তারা দ্বিতীয় ও শেষবারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

তবে দ্বিতীয়বারেও অনুত্তীর্ণ হলে তাদেরকে পুনরায় শুরু থেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে অনুসারে ২০১৭ সালের ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে লিখিত পরীক্ষায় দ্বিতীয় ও শেষবারের মতো বাদ পড়া ৩ হাজার ৫৯০ শিক্ষার্থী এবং ২০২০ সালে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মধ্যে এমসিকিউ উত্তীর্ণ ৮ হাজার ৭৬৪ শিক্ষার্থীসহ সর্বমোট ১২ হাজার ৮৫৮ জন সনদপ্রত্যাশী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

আপিল বিভাগের রায় প্রতিপালন না করে অনিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ ও খাতা রিভিউ সুবিধা প্রদান করা এবং লিখিত ও ভাইবা পরীক্ষা ছাড়াই সনদের দাবিতে আন্দোলন করেছেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা। আন্দোলনের মুখে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বার কাউন্সিল।

অর্থসূচক/এমএস