শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০
Home App Home Page মসজিদে বিস্ফোরণ: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া মিস্ত্রি রিমান্ডে

মসজিদে বিস্ফোরণ: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া মিস্ত্রি রিমান্ডে

মসজিদে বিস্ফোরণ: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া মিস্ত্রি রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় মোবারক হোসেন নামে এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। শনিবার রাতে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকা তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালতে মোবারকে হাজির করা হলে তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জ সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ২টি বৈদ্যুতিক সংযোগ রয়েছে যার একটি সংযোগ অবৈধ। সেই সংযোগসহ মসজিদের যাবতীয় ওয়ারিং (বৈদ্যুতিক তার টানা) করেছিল মোবারক হোসেন। সম্ভবত গত ৪ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর মসজিদে কারেন্ট চলে যাওয়ায় সেই অবৈধ বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ দেয়ার সময় স্পার্ক করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেই অবৈধ বৈদ্যুতিক লাইনে সংযোগের কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে তল্লা বাইতুস সালাত মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিতাসের ৮ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। পরে তাদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

সিআইডি সূত্র জানায়, বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ২টি বৈদ্যুতিক সংযোগ রয়েছে। যার একটি সংযোগ অবৈধ মর্মে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। মসজিদের অভ্যন্তরে মধ্যবর্তী উন্মুক্ত স্থানে মসজিদের একটি বড় ডিপি বক্স যার ভিতরে সার্কিট ব্রেকার, ৪টি কাটআউট, একটি লাইন চেঞ্জ বক্স লাগানো হয়েছে যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিয়ম বহির্ভূত।

ওই অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগ নেয়া হতে শুরু করে সার্কিট ব্রেকার, কাটআউটে তার লাগানোসহ যাবতীয় মসজিদের ওয়ারিং আসামি মোবারক হোসেন করেছে। সে অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগ জেনেও শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে মসজিদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উপাসনালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে মসজিদের মধ্যবর্তী স্থানে খোলা যায়গায় ডিপি বক্স সার্কিট বেকার, কাটআউট, লাইন চেঞ্জ বক্সে সংযোগ দেয়।

সূত্র আরও জানায়, যদি মসজিদের ভিতরে কাটআউট স্থাপন করা না হতো তাহলে বিদ্যুৎ লাইন পরিবর্তনের সময় বিদ্যুতের স্পার্ক হত না এবং এভাবে একে একে ৩৩ জনের মৃত্যুও হত না। সিআইডির তদন্তে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

অর্থসূচক/এমএস