দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করার উপায়

0
140

হলদে ভাব কাটিয়ে দাঁত উজ্জ্বল, ঝকঝকে সাদা করে তুলতে আধুনিক পদ্ধতির সাহায্য নেন অনেকেই। তবে কম খরচে দাঁতকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাইলে এই ৫টি ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পার্থক্য চোখে পড়বে।

কলার খোসা: কলার খোসার ভেতরের সাদা দিকটি নিয়মিত দাঁতে ঘষলে দাঁতের হলদেটে ভাব দ্রুত কেটে যায়। তবে কলার খোসা দিয়ে দাঁত ঘষার পর অবশ্যই হলকা গরম পানি দিয়ে ভাল করে কুলকুচি করে নিতে হবে।

তুলসি পাতা: তুলসি পাতা দাঁতের স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারী। তুলসি পাতা প্রথমে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। একেবারে শুকিয়ে গেলে সেগুলোকে গুঁড়া করে যেকোন টুথপেস্ট মিশিয়ে নিয়মিত ব্রাশ করলে দাঁতের হলুদ ভাব একেবারে চলে যায়। সেই সঙ্গে দাঁতে বিভিন্ন রোগের প্রকোপও হ্রাস পায়।

লবণ: দাঁতকে পরিষ্কার রাখতে বহু আগে থেকেই লবণের ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ লবণ দাঁতের পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশপাশি দাঁতের সৈন্দর্য বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই দাঁতের হলদে ভাব কাটানোর ক্ষেত্রে লবণকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে কাঠকয়লা বা চারকোলের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। কয়েক সপ্তাহ এই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত মাজলেই দাঁতের হলদে ভাব অনেকটা কমে যাবে।

কমলা লেবুর খোসা: দাঁতের সৌন্দর্য ফেরাতে কমলা লেবুর খোসা দারুন কার্যকরী। রাতে প্রতিদিন সামান্য কমলা লেবুর খোসা নিয়ে দাঁতে একটু সময় নিয়ে ঘষুন। দাঁতের হলদে ভাব অনেকটা কমে যাবে।
খাবার সোডা: দাঁতের হলদেটে ভাব কাটাতে খাবার সোডার মতো সহজলভ্য বিকল্প আর নেই। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে টুথপেস্টের সঙ্গে খুব সামান্য পরিমাণে খাবার সোডা মিশিয়ে দাঁত মাজুন। তারপর উষ্ণ পানিতে ভাল করে কুলকুচি করে মুখটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই ঘরোয়া পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে দাঁত মাজলে দ্রুত সুফল মিলবে।
তবে দাঁত ভাল রাখতে একটা কথা সব সময় মাথায় রাখতে হবে। দিনের যে কোন সময় খাবার পর অবশ্যই মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সম্ভব হলে দিনে অন্তত দুইবার করে দাঁত মাজতে হবে। এছাড়া ধূমপান করলেও দাঁতে হলদেটে ছোপ পড়ে। তাই ধূমপানের মাত্রা কমালে বা ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে।
বছরে অন্তত দুইবার দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে দাঁত কখনই একেবারে সাদা হয় না। বিভিন্ন উপাদানের ব্যবহারে জোর করে দাঁত সাদা ঝকঝকে করার চেষ্টায় হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

সূত্র: জি নিউজ
অর্থসূচক/এসএস/এমএস