রিমান্ডে থাকা সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

0
84

অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর হাকিম হাবিবুর রহমান এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। বর্তমান সাহেদ উত্তরা পশ্চিম থানার একটি প্রতারণার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

আদালতের পেশকার মেহেদী বলেন, গত সোমবার এক ব্যবসায়ী ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এ নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এর আগে ১৩ জুলাই অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ ছাড়া সাহেদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় আরো একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে আজ পর্যন্ত প্রতারক সাহেদের নামে উত্তরা পশ্চিম থানায় ১১টি মামলা করা হয়েছে।

সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছেন মেট্রো রেল নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত একটি সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ৭৬ জন শ্রমিক ও কর্মচারীর করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছিল রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে।

গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন উত্তরা পশ্চিম থানার প্রতাণার মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ। শুনানি শেষ বিচারক ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। পরে রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় আটজনকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে গত ৭ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। এ নিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৬১টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।

অর্থসূচক/এএইচআর