যেকোনো কিছু করতে রাজি স্টোকস

0
84
বেন স্টোকস

ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট জিতে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-১ এ সমতা এনেছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকদের জয়ের নায়ক ছিলেন বেন স্টোকস। তাঁর অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের সুবাদেই সফরকারীদের ১১৩ রানে হারায় জো রুটের দল।

বেন স্টোকস

প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ বলে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলেন স্টোকস। দ্বিতীয় ইনিংসে দেখা যায় পুরো উল্টো চিত্র। দলের প্রয়োজনে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে অপরাজিত থাকেন ৫৭ বলে ৭৮ রানে। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ইনিংস ওপেন করতেও দেখা যায় স্টোকসকে। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও উজ্জ্বল ছিলেন এই অলরাউন্ডার। দুই ইনিংসে ৩ উইকেট নিলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট শিকার করেছেন স্টোকস। ভেঙেছেন বড় জুটি, আউট করেছেন উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ও জার্মেইন ব্ল্যাকউডদের।

দ্বিতীয় টেস্টে ২৫৪ রান ও ৩ উইকেট নেয়ায় ম্যাচসেরাও নির্বাচিত হয়েছেন স্টোকস। দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেও পেশিতে ব্যাথা অনুভব হওয়ায় থামতে হয় এই অলরাউন্ডারকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫তম ওভারের চার বল করে আর বোলিং করতে পারেননি তিনি। সে সময় ব্রোডের কথা শুনেই আর বোলিং করেননি স্টোকস। ম্যাচ শেষে স্টোকস নিজেই জানালেন, ‘(ইনজুরি?) আমি ঠিক আছি। শরীরের পেশিগুলো শক্ত হয়ে আসছে। আমি (স্টুয়ার্ট) ব্রডকে বলছিলাম যে, পেশিতে সমস্যা হচ্ছে, কী করবো? তখন সে বললো আর বোলিং করো না।’ ব্রডের কথা শুনেই ১৫তম ওভারটি পুরো করেননি স্টোকস, সে ওভারের বাকি দুই বল করেন জো রুট।

তবে সেই ওভারটি শেষ না করলেও, টানা ১১ ওভারের স্পেল ঠিকই করেছিলেন স্টোকস। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দলের জন্য যেকোনো কিছু করতে রাজি, আমাকে যা বলা হবে তার পুরোটা করবো। আমাদের বোলিং ডিপার্টমেন্টে প্রয়োজনের সময় আক্রমণাত্মক হওয়ার একটি উপায় আমরা বের করে নিয়েছি। যাতে করে ব্যাটসম্যানরা কোন পথ খুঁজে না পায়। আমি সবসময় তাই করব, যা আমাকে দল থেকে করতে বলা হয়। প্রথম ইনিংসে বিষয়টা ছিল যত বেশি খেলা যায়। নিজের পছন্দের জায়গা থেকে বেরিয়ে খেলাটা যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যই চ্যালেঞ্জিং। দুইটি ইনিংস পুরোপুরি ভিন্ন ছিল। দ্বিতীয়টিতে আমাদের দ্রুত রান তুলতে হতো। সেখানে ১১ ওভারে ৯০ রান করতে পারায় অনেক এগিয়ে গেছি। এই ম্যাচ থেকে ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে তা ঠিক হতো না।’

অর্থসূচক/এএইচআর