জাতীয় দলের সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত

0
100

মানসিক অবসাদ। ক্রিকেটারদের কাছে এ যেন এক বিভীষিকার নাম। প্রায়শই দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা মানসিক অবসাদের কারণে ২২ গজ থেকে সাময়িক সময়ের জন্য নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। অনেকের ক্ষেত্রে বিষয়টি অবসর পর্যন্ত গড়ায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিতে মানসিক অবসাদের বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও বাংলাদেশে এটির কোনো চর্চাই হয় না। সামাজিক কারণেই ক্রিকেটারদের এই বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করার সুযোগ হয়ে উঠে না। তবে জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো মনে করেন, বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা উচিৎ। সেই সঙ্গে তিনি বেশ বদ্ধপরিকর চলমান ক্রিকেট সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতেও। তিনি চান খেলোয়াড়রা যেন বিষয়টিকে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখে সেই ব্যপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ডমিঙ্গো বলেন, ‘মানসিক অবসন্নতা সম্পর্কে কোন খেলোয়াড়ই কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে না আমি মনে করি। তবে আমি দলে এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে খেলোয়াড়রা খোলামেলাভাবে কথা বলতে পারবে এই বিষয়ে। তাঁরা কথা বলতে পারবে তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে, তাদের বিরতি লাগবে কি না সেই প্রসঙ্গে। কেননা এটা খেলারই একটি অংশ।’

অর্থসূচক/এএইচআর