জনতা ব্যাংকের আরও এক ব্যবস্থাপক করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
150

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও দুই ব্যাংকার। দুজনই সরকারি জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজন নেত্রকোনা জারিয়া জাঞ্জাইল শাখার ব্যবস্থাপক (সিনিয়র অফিসার) একেএম জাহাঙ্গীর আলম। অন্যজন ঢাকা সদরঘাট শাখার সিনিয়র অফিসার মো. মোস্তফা। কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ দ্রুত গতিতি বাড়ায় রোস্টারিং পদ্ধতিতে অফিস চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে সমবেদনা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।

শুধু জনতা ব্যাংক নয়, সব ব্যাংকেই বেড়েছে করোনা আক্রান্তের হার। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকেও শতাধিক কর্মকর্তা এ ভাইরাসে আক্রান্ত। তবে গত ৪ জুন কর্মকর্তাদের দাবির মুখে রোস্টারিং পদ্ধতিতে অফিস কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগেই দি সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকসহ অনেকেগুলো ব্যাংকই রোস্টারিং চালু করেছে।

ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ব্যাংকার আক্রান্তের সংখ্যা দুই শতাধিক ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। তাদের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের ৩ জন, রুপালী ব্যাংকের ২ জন, দি সিটি ব্যাংকের ২ জন, এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ১ জন, উত্তরা ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার ১ জন, জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের প্রশাসন শাখার ১ জন, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১ জন, অগ্রণী ব্যাংকের ১ জন ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার ১ জন রয়েছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেশের অন্যতম শিল্পপতি এস আলম গ্রুপ ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদ আলম।

গত ৪ জুন কর্মীদের জন্য একটি অফিস আদেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগীয় প্রধান এবং শাখা অফিসের প্রধান নির্বাহী বা মহাব্যবস্থাপক অফিসের কাজের গুরুত্ব বিবেচনায় ও বাস্তবতার নিরিখে সুষ্ঠুভাবে অফিস পরিচালনার নিমিত্তে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব বণ্টন বা রোস্টারিং করতে পারবেন। যেসব কর্মকর্তা বাসায় অবস্থান করবেন, তাদের বাসা থেকে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউই কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এ সময় যেসব কর্মকর্তা অফিসে এসে কাজ করবেন তাদের দুপুরের খাবার দেওয়া হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পথেই হাঁটতে চলেছে বাকি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

অর্থসূচক/জেডএ/কেএসআর