ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে শত কোটি টাকার প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
95

ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ টেকসই করার লক্ষ্যে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এছাড়া বাঁধ মেরামত কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ুগত পরিবর্তনে দুর্যোগ এখন নিয়মিত হচ্ছে। তাই আমরা টেকসই সমাধানকল্পে কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিভাবে সফল। তাই জনবান্ধব প্রকল্প হাতে নিতে পারছি যাতে আগামীতে এমন জনদুর্ভোগ না হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন এলাকা স্পিডবোটযোগে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জনগণের পাশে থাকবে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন আম্ফান আঘাত হানার সাথে সাথে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে এবং পানিসম্পদ সচিব সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আজ আমি নিজে এসেছি সরাসরি পরিদর্শনে কোথায় কি প্রতিবন্ধকতা তা নিরূপন করতে।

এ সময় সাতক্ষীরার-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন)মাহমুদুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বাপাউবো)হাবীবুর রহমান, উপসচিব নুর আলম, জেলা প্রশাসক (সাতক্ষীরা) এস এম মোস্তফা কামাল, প্রধান প্রকৌশলী (খুলনা) রফিক উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (সাতক্ষীরা)আবুল খায়ের, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজার গিফারী, আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিম, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফ রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, ভোলামারা, দক্ষিণ বড়মাছুয়া এবং খেজুরবাড়িয়া পরিদর্শন করেন।

প্রসঙ্গত, খুলনার কয়রা, দাকোপ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় আনুমানিক ১৭০ জায়গায় ৯৯টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধুমাত্র উপকূলাঞ্চলের সমস্যা নিরসনের জন্য মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প আছে যা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর