করোনার মাঝেই নির্মাণ হবে ২০০ নাটক!

বিনোদন প্রতিবেদক

0
116

করোনা ভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে আছে সারা পৃথিবী৷ বন্ধ আছে অফিস-আদালতসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশও করোনার প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এদিকে করোনার প্রভাব পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও। বন্ধ আছে সব শুটিং। তাই করোনার মাঝেই ২০০ নাটক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নাটকের বিভিন্ন সংগঠন।

ছোটপর্দার অভিনয় শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা নাসিম জানান, মাস পেরিয়ে গেল দেশের শোবিজ অঙ্গন স্থগিত। সচ্ছল শিল্পী বা কলাকুশলীরা এই সময়টায় কাজ ছাড়া সমস্যায় না পড়লেও অসচ্ছল শিল্পী ও কলাকুশলীদের এখনকার সময়টা ভালো যাচ্ছে না। বড় ধরনের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন না তারা। নাটকের বিভিন্ন সংগঠনগুলো প্রাথমিক উদ্যোগ নিলেও সেটি কতদিন চলবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ, এই মহামারি থেকে পরিত্রাণ ঠিক কবে পাবে বিশ্ব, তা কেউ জানে না। তাই সংগ্রাম করেই বাঁচতে হচ্ছে এখন।

সম্প্রতি টেলিভিশনের ৪টি সংগঠন নতুন করে আরও একটি পদক্ষেপ নিয়েছি। সংগঠনগুলো টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, অভিনয়শিল্পী সংঘ, ডিরেক্টরস গিল্ড ও নাট্যকার সংঘ। অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম করোনার এই সময়ে ফান্ড তৈরির জন্য এমন প্রস্তাব রেখেছেন অন্য সংগঠনের কাছে। এতে অন্যরাও একমত পোষণ করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও আলোচনা চলবে।

নাসিম বলেন, আমাদের এই সমস্যার সমাধান কবে হবে আমরা জানি না। তাই ভবিষ্যতের চিন্তা করতে হবে। তাই একটা পরিকল্পনা আমরা করছি। আমরা যদি ঘরে বা প্যানেলে বসে ২০০ নির্মাতাকে নাটক নির্মাণের দায়িত্ব দিই, সেখান থেকে নাটক নির্মাণের টাকার একটি অংশ সংগঠনগুলোর তহবিলে জমা হবে। নির্মাতা, শিল্পী-কলাকুশলীদের অনেক পাওনা টাকা বকেয়া আছে। সেগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। আরেকটি বিষয় আমরা ভাবছি, যেসব কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের কাছে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া। এতে করে হয়তো অস্বচ্ছল শিল্পীদের কিছুটা সাহায্য করা সম্ভব। কারণ আমরা কেউই জানি না এই মহামারী কতদিন থাকবে।

নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজা বলেন, এটি সুন্দর একটি পরিকল্পনা। এটা আমরা অবশ্যই করবো। এছাড়া টাকা কালেকশনের বিষয়ে আমাদের জরুরি ভিত্তিতে বসা দরকার।

এছাড়া টিভি চ্যানেল, প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী ও কলাকুশলীর প্রায় প্রত্যেকেরই কিছু টাকা পাওনা আছে। আগামী মাসের মধ্যে এগুলো তুলে দিলে অস্চ্ছল শিল্পীদের কাজে লাগবে বলে মনে করে সংগঠনগুলো।

অর্থসূচক/এএইচআর