খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

0
102
khulna manobbondon

khulna manobbondonসাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে খুলনার পিকচার্স প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় সাংবাদিকরা।

বুধবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল।

এ সময় মানববন্ধন থেকে পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, দুই সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা এবং পুলিশের সকল ধরনের সংবাদ ও ছবি বয়কট করা হবে।

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ-সম্পাদক মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাব ফেডারেশনের চেয়ারপার্সন লিয়াকত আলী, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, ক্লাবের সাবেক সভাপতি ওয়াদুদুর রহমান পান্না, মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান ও এ. কে. হিরু, সাধারণ-সম্পাদক এস.এম. জাহিদ হোসেন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ-সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু ও সুবীর রায়, গৌরাঙ্গ নন্দী, আবু তৈয়ব, রকিব উদ্দিন পান্নু, রাশিদুল ইসলাম, সামছুজ্জামান শাহীন, আসাদুজ্জামান রিয়াজ, আবুল হাসান হিমালয় প্রমুখ।

উল্লেখ্য, যাত্রীবাহী পরিবহনের অনিয়ম ও ঝুঁকি বিষয়ক প্রতিবেদন তৈরির জন্য গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরতলীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় যান চ্যানেল ২৪ এর খুলনা ব্যুরো প্রধান ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মামুন রেজা ও ক্যামেরাপার্সন খায়রুল আলম।

এ সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। ক্যামেরাপার্সন খায়রুল আলম এ ঘটনার ছবি ধারণ করতে গেলে খুলনা নগর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজের আত্মীয় ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক তৈয়েবুর রহমানের নেতৃত্বে যুবলীগ নেতারা খায়রুলের ওপর হামলা করে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। এরপর মামুন রেজাকেও মারধর করে তারা।

এতে খায়রুল আলমের মাথা ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়। মামুন রেজার শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম হয়েছে। বর্তমানে তারা দু’জন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।