খালেদার মুক্তি দাবিতে বিএনপির সমাবেশ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
106

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির সমাবেশে শুরু হয়েছে। সমাবেশ উপলক্ষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ বানানো হয়েছে।

আজ শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলামের কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দুই বছর কারাবন্দি রাখার প্রতিবাদে ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশ করছে দলটি।

সমাবেশে যোগদিতে সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালের সামনে জড়ো হতে থাকেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের হাতে খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুনও দেখা যায়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে বেলা ১২টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসেন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের নামে থাকা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন।

এদিকে সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই ফকিরাপুল থেকে নয়াপল্টনমুখী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, অনুমতির পর বিএনপি সমাবেশ শুরু করেছে। সমাবেশ স্থলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নয়াপল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড়, কাকরাইল, শান্তিনগর, ফকিরাপুল, পুরানা পল্টন মোড়ে পুলিশ দেখা গেছে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, মো. শাহজাহান, চেয়ারপারসন উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ।

উল্লেখ, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্টে দুই পক্ষের আপিলের শুনানি শেষে আদালত সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করে। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালত খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

অর্থসূচক/কেএসআর