২৩৩ রানে অল আউট বাংলাদেশ

0
100

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম দিন আলো ছড়িয়েছেন পাকিস্তানের পেসাররা। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে ২৩৩ রানে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মিঠুন এবং লিটন ছাড়া আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন এই ম্যাচে অভিষিক্ত সাইফ হাসান। শাহিন আফ্রিদির বলে আসাদ শফিককে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। এরপরের ওভারে ফিরে গেছেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবাল।

মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হয়ে ফিরে যান তামিম (৩)। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নিয়ে তামিমকে বিদায় করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। তামিমের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩ রান। তিন রানের মধ্যে দুই উইকেট পড়ার পর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মুমিনুল হক। ব্যক্তিগত ৩০ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে ফিরে যান তিনি।

এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। যদিও লাঞ্চের পর তিনি আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তাঁকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মোহাম্মদ আব্বাস। শান্ত ফিরে যাওয়ার খানিক পরেই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শাহিন শাহ আফ্রিদির বেশ বাইরের বল পয়েন্ট দিয়ে খেলতে গিয়ে আসাদ শফিককে ক্যাচ দেন। চারটি চারে তার ব্যাট থেকে আসে ৪৮ বলে ২৫ রান।

মাহমুদউল্লাহ ফেরার পর বাংলাদেশকে টেনেছেন মোহাম্মদ মিঠুন ও লিটন দাস। ষষ্ঠ উইকেটে তারা গড়েছেন ৫৪ রানের জুটি। বেশ দ্রুতই রান তুলছিলেন তারা। লিটন ৩৩ রান করে হারিস সোহেলের বলে এলবিডব্লিউ হলে এই জুটি ভাঙে। এরপর তাইজুলকে ইসলামকে নিয়ে চা পানের বিরতিতে যান মোহাম্মদ মিঠুন। চা-পানের বিরতির পর দারুণ খেলছিলেন তাইজুল এবং মোহাম্মদ। তাইজুল ব্যক্তিগত ২৪ রানে লং অনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াসির শাহর হাতে। তাঁকে ফেরান হারিস সোহেল।

এরপর রুবেল হোসেনকে ব্যক্তগত ১ রানে বোল্ড করে ফেরান শাহিন শাহ আফ্রিদি। আর ১১৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়া মিঠুন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন নাসিম শাহর দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে। শেষ দিকে আবু জায়েদ রাহি কোনো রান করার আগেই রান আউট হয়ে ফিরলে ২৩৩ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ৫৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার শাহিন।

অর্থসূচক/এএইচআর