সিমন্স-লুইসের ঝড়ে মান বাঁচাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের

0
82

দুর্দান্ত বোলিং করে আয়ারল্যান্ডকে দেড়শ রানের নিচে আটকে দেন। রান তাড়া করতে নেমে এভিন লুইসের তাণ্ডব এবং লেন্ডল সিমন্সের হাফ সেঞ্চুরিতে আইরিশদের উড়িয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজ সমতায় আনতে ম্যাচটি জিততেই হতো স্বাগতিকদের। ম্যাচটি জিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ ব্যবধানে শেষ করে ক্যারিবীয়রা।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পরাজয় এবং দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচ জিতে মান বাঁচায় বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ৯ উইকেটে জেতে স্বাগতিক দল।

ওয়ার্নার পার্কে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগে ব্যাটিং করে ১৯.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান সংগ্রহ করে আইরিশরা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লুইস-সিমন্স আগ্রাসী ব্যাটিং করে ১১ ওভারেই দলকে জয় এনে দেন। অবশ্য ইনিংসের প্রথম ওভারটা দেখেশুনেই খেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার লুইস এবং সিমন্স। পল স্টার্লিংয়ের ওভারে এক রান নেন তাঁরা। দ্বিতীয় ওভার থেকে শুরু হয় ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের তাণ্ডব। যা আর রুখতে পারেননি আয়ারল্যান্ডের কোনো বোলার। যদিও শেষ দিকে একটি উইকেট নিতে পেরেছিলেন আইরিশ স্পিনার সিমি সিং। ইনিংসের ১১তম ওভারে ৪৬ রান করে আউট হন লুইস। ২৫ বলের ইনিংসে ৪ ছক্কা এবং ৩ চার মেরেছেন এই বাঁহাতি।

৪০ বলে ৯১ রানের অপরাজতি ইনিংস খেলেন সিমন্স। দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডানহাতি এই ওপেনার। ছক্কা মেরে দলকে জেতান তিনি। নিজের ইনিংসটি ১০ ছক্কা এবং ৫ চারে সাজান এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি।

আয়ারল্যান্ড অবশ্য ভালো শুরু পায়। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং কেবিন ও’ব্রায়ান ৩.৪ ওভারেই দলকে ৫০ রানের উদ্বোধনী জুটি এনে দেন। বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিতে শুরু করা এই জুটিতে ফাটল ধরান ক্যারিবীয় অধিনায়ক পোলার্ড। ১৮ বলে এক ছক্কা এবং ৬ চারে ৩৬ রান করা ও’ব্রায়ানকে আউট করেন তিনি। পরের ওভারেই বিধ্বংসী স্টার্লিংকে ১১ রানে ফেরান ব্রাভো।

এরপর ব্যাট হাতে কিছুটা লড়াই করেন অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি। কিন্তু তাঁকে সঙ্গ দিতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের ১১তম ওভারে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ২৩ বলে ২৮ রান করা বালবির্নি। শেষ দিকে ব্যারি ম্যাককার্থির ১৮ রানে মাঝারি সংগ্রহ দাঁড় করায় আয়ারল্যান্ড। আইরিশদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন পোলার্ড। ১৭ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন প্রথম ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করা এই পেসার। এই ম্যাচে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন ব্রাভো। তিনি নেন ১৯ রানে ৩ উইকেট।

অর্থসূচক/এএইচআর