বন্ধ হয়ে যেতে পারে সেতাবগঞ্জের চিনিকল  

0
120
chinical-2

chinical-2দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের সেতাবগঞ্জ চিনিকল চরম অর্থ সংকটে পড়েছে। চলতি মৌসুমসহ গত কয়েক মৌসুমের চিনি বিক্রি করতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতাবগঞ্জ চিনিকলে প্রায় ৪৭ কোটি টাকার চিনি অবিক্রিত রয়ে গেছে। গোডাউন ঘরগুলোর ধারণক্ষমতার বাহিরে চিনির পরিমাণ হওয়ায়, মিলের পরিত্যক্ত জায়গায় গোডাউন ঘর তৈরি করে চিনি রাখা হয়েছে। কিন্তু এভাবে বেশিদিন রাখলে চিনিগুলো নষ্ট হবার আশঙ্কা থেকে যায়।

কোটি কোটি টাকার চিনি বিক্রি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি পড়েছে অর্থ সংকটে। অর্থ সংকটের কারণে আখ চাষিদের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। প্রতিনিয়তই মিলে ধরনা দিচ্ছে আখ চাষিরা। তারপরও মিলছে না বকেয়া টাকা।

তবে মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, চিনিকলের এ অবস্থার জন্য বেসরকারি চিনিকলগুলোই দায়ী। আখ চাষিদের বকেয়া পরিশোধ করতে না পারলে আগামি মৌসুমে এই চিনি কলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এ অবস্থার কারণ জানতে চাইলে সেতাবগঞ্জ চিনি কলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ জানান, গত দুই মাস আগে ৫২ টাকা দরে যে চিনি বিক্রয় দর ছিল সে চিনি বিক্রি না হওয়ার কারণে বর্তমানে ৪২ টাকায় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা মূল্য কমানোর সাথে সাথে বেসরকারি চিনি কলের মালিকেরা তাদের চিনি ৪০ টাকা দরে কেজিতে বিক্রি করছে। আর এ কারণেই আমাদের চিনিটা বাজারে বিক্রি করতে অসুবিধা হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা গুণগত মান বিবেচনা করছে না বরং মূল্যটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে দিনাজপুর সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মাহাতাব উদ্দিন বলেন, খুব দ্রুত সেতাবগঞ্জ চিনি কলের অবিক্রিত চিনি বিক্রির পদক্ষেপ ও বেসরকারি চিনিকলগুলোর চিনি যাচাই করা প্রয়োজন।

কেএফ