এডিএন টেলিকমের নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা

0
288
ADN-Telecom

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদনকৃত কোম্পানি এডিএন টেলিকম শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ৩০ জুন, ২০১৯ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের বছর ছিল ২ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২১ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর ছিল ১৮ টাকা ৮০ পয়সা।

ADN-Telecom

কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ৭ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এরআগে গত ১ অক্টোবর কোম্পানিটি নিয়স্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে কনসেন্ট লেটার পায়। এবং আগামী ৪ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আবেদনের সময় শুরু হবে। চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন  (বিএসইসি)। আইপিওতে শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২৭ টাকা।

সূত্র মতে, কোম্পানির অর্থ উত্তোলনের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইস্যু মূল্য নির্ধারণের জন্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের বিডিং এর অনুমোদন প্রদান করা হয়েছিল। যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিং এর মাধ্যমে কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ৩০ টাকায় প্রান্ত-মূল্য নির্ধারণ করে। সে অনুযায়ী ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৫ হাজার সাধারণ শেয়ার ৩০ টাকা মূল্যে যোগ্য বিনিয়োগকারী ও ২৭ টাকা মূল্যে (আট-অফ মূল্য থেকে ১০ শতাংশ বাট্টায়) ৭৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬টি সাধারণ শেয়ার সাধারণ বিরিয়োগকারীর (অনিবাসী বাংলাদেশীসহ) নিকট ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিশন।

পুঁজিবাজার থেকে এডিএন টেলিকম ৫৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার ৩০ টাকা দরে বিক্রি করে ৩৫ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হবে। বাকি ২১ কোটি ৩৭ লাখ ৪৯ হাজার ৯৮২ টাকা সাধারন বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬টি শেয়ার ২৭ টাকা দরে বিক্রির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।

আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি ভৌত কাঠামো উন্নয়ন, ডাটা সেন্টার স্থাপন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।