আজ বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস

0
187
malayria day

malayria dayবিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস আজ। সারাবিশ্বে শুক্রবার  পালিত হচ্ছে এ দিবসটি। দিবসটি উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- ‘ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করুন : ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করুন’।

অঞ্চলভেদে ম্যালেরিয়ার পরজীবী ও বাহকের প্রজাতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। মশাবাহিত চারটি পরজীবীর কারণেই সাধারণত ম্যালেরিয়া হয়ে থাকে। এগুলো হলো- প্লাসমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স, প্লাসমোডিয়াম ফ্যালসিপ্যারাম,  প্লাসমোডিয়াম ম্যালেরি ও প্লাসমোডিয়াম ওভেল। স্ত্রী অ্যানোফিলিস প্রজাতির মশার মাধ্যমেই এ রোগ ছড়িয়ে থাকে।

এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে রোগীর জ্বর দেখা দেয়। জ্বরের সঙ্গে  শ্বাসকষ্ট, রক্তস্বল্পতা, মাথাব্যথা, বমি হওয়া, ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। ফ্যালসিপ্যারাম ম্যালেরিয়াতে লক্ষণ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। এতে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়।

বাংলাদেশ বিভিন্ন কারণে ম্যালেরিয়ার ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে। ১৩টি জেলার ৭০টি উপজেলায় ৬২০টি ইউনিয়নকে ম্যালেরিয়া উপদ্রুত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০০৫ সালে এ ১৩টি জেলায় ৪৮,৬৪৭ জন ম্যালেরিয়া রোগী শনাক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ৫০১ জন মারা যায়। ২০১২ সালে ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯,৫১৮ জনে।

২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী ২০ কোটি ৭ লাখ ম্যালেরিয়া রোগী শনাক্ত করা হয়। যার মধ্যে মারা যান ৬ লাখ ২৭ হাজার। প্রধানত বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটানসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ, আফ্রিকার অধিকাংশ দেশ ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশসমূহ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত।

ম্যালেরিয়া রোগ শনাক্তকরণের জন্য এখন দ্রুত পরীক্ষা পদ্ধতি (আরডিটি) ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীর রোগ শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।