ইতিহাস বিকৃতি রক্ষায় তরুণদের অনলাইনে আরও সক্রিয় হতে হবে

facebook

facebookনানা কারণে বিকৃত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বদলে গেছে চেতনাও। দীর্ঘ এ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ তাই রুপকথার  শোনা গল্প। সময় এখন তথ্য-প্রযুক্তির। নবীন প্রজন্মের অধিকাংশই মনোনিবিষ্ট হয়ে আছে ফেসবুক, টুইটার বা ইয়াহু চ্যাট রুমে।

কিন্তু ভীষণ  পরিতাপের বিষয়, ব্লগে বা ফেসবুকে বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা যতটা না সক্রিয় সেই তুলনায় মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সমৃদ্ধ আলোচনা যথেষ্ট নয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটা শ্রেণী মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ বিচার এমনকি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও প্রপাগন্ডা চালাচ্ছে। অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রচারণা সন্তোষজনক না হওয়ায় ধীরে ধীরে একাত্তরের চেতনা থেকে তরুণ প্রজন্ম সরে যাচ্ছে যোজন যোজন দূরে। এই পরিস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে তরুণদের অনলাইনে আরো সক্রিয় হতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির (ডিইউআইটিএস) আয়োজনে ‘প্রযুক্তি, তারুণ্য ও মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা ও ডকুমেন্টরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের বক্তারা এসব কথা বলেন।

১৫ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় টিএসসি চত্ত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও লেখক মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া (অব.) বীর প্রতীক মাহবুব এলাহী রঞ্জু, সাংবাদিক ও ব্লগার একরামুল হক শামীম, ওয়ার ক্রাইম ল’ বিশেষজ্ঞ ব্যরিস্টার শাহ আলী ফরহাদ এবং অনলাইন অ্যক্টিভিস্ট সাদমান সাদেক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিইউআইটিএস সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইমরান। অনুষ্ঠানে মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া (অব.) বীর প্রতীক মাহবুব এলাহী রঞ্জু তাদের যুদ্ধদিনের গল্প শোনান। আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি দূর্লভ ডকুমেন্টরি প্রদর্শিত হয়।