‘নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে’

0
82
বিশ্ব ধরিত্রী দিবস

বিশ্ব ধরিত্রী দিবসরাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের শহরগুলোকে বাঁচাতে হলে আগে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। আর এজন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত বনায়ন ও পরিকল্পিত নগরায়ন ।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে শিল্পবর্জ্যের দূষণ, তৈল-বিষ, রাসায়নিক বর্জ্যের দূষণ, পারমাণবিক বর্জ্যের দূষণ, কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করে সবুজায়নের মাধ্যমে পৃথিবীকে বসবাসযোগ্য করার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ও নাগরিক সমাবেশে ‘বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের’ নেতারা এসব কথা বলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একদিকে ঢাকা শহরের বাতাস কার্বনডাই অক্সাইড, বিষাক্ত গ্যাস, সীসা, ধুলিকনাসহ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত গ্যাসে পরিপূর্ণ। অন্যদিকে শিল্পবর্জ্যের ‍দূষণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের আশপাশের নদীনালার পানি বিষাক্ত বর্জ্যে ভরে গেছে। তাই ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে রাখতে হলে পরিকল্পিত নগরায়ন এবং পর্যাপ্ত বনায়ন গড়ে তোলা প্রয়োজন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভূমিদস্যুরা নদীগুলোকে দখল করে আছে। অন্যদিকে ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। নদী রক্ষায় এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও নাগরিক সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নদী বাঁচও আন্দোলনের যগ্ম সম্পাদক ডা. বোরহান উদ্দিন অরন্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক কলিমুল্লাহ ইকবাল, ব্রক্ষ্মপুত্র বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির, শীতলক্ষ্যা বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

জেইউ/