বড় বাজেট বাস্তবায়নে দক্ষতা ও জবাবদিহীতা দরকার: ডিসিসিআই

অর্থসূচক ডেস্ক

0
52
ডিসিসিআই। ফাইল ছবি

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি ধারাবাহিক বাজেট বলে মন্তব্য করেছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।  তবে এ ধরনের বড় বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন একান্ত অপরিহার্য বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।

বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরকে আদায় করতে হবে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। বিগত অর্থবছরের তুলনায় এত বড় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা চ্যালেঞ্জিং।

ডিসিসিআই। ফাইল ছবি

নতুন বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি থাকছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। ঘাটতি বাজেট পূরণে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অর্থায়ন করা হবে, যা সহনশীল বলে মনে করছে ডিসিসিআই। তবে এ জন্য বেসরকারীখাতে ঋণ প্রবাহ যেন কমে না যায় সেদিকেও সরকারের খেয়াল রাখতে হবে।

র্আথকি সংস্কার: বিগত অর্থবছর বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ ছিল ১২.৫% যদিও মূদ্রানীতি অনুযায়ী বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ ১৬.৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। র্বতমানে বাংলাদশে ব্যাংকরে র্সবশষে হসিাবে খলোপি ঋণ ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা।দশেরে খলোপি ঋণরে ৪৮% সরকারি ব্যাংক খাতের।

এছাড়াও প্রস্তাবিত বাজেটে “ইনসলভেনসি অ্যান্ড ব্যাংক্রাপসি ল” শিরোনামে একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং এ ধরনের উদ্যোগ কে ঢাকা চেম্বার স্বাগত জানাচ্ছে। ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজেটে নিয়ে আসার প্রস্তাবকে স্বাগত জানাই। এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করে।

ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাট রিটার্ন পদ্ধতি সহজীকরণ করা প্রয়োজন। ভ্যাটের আইন সহজীকরণ ও হয়রানি যেন না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.২% এর লক্ষমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে মনে করি তবে এর সুফল ভোগ করতে হলে কর্মসংস্থান সহায়ক  প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং দেশি বিদেশি বিনিয়োগ আর্কষণ করা প্রয়োজন।

জাতীয় বাজটে (২০১৯-২০) নতুন করে ৮০ লাখ করদাতা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। বর্তমানে করদাতার সংখ্যা ২০ লাখ। নতুন ৮০ লাখ যোগ হলে করদাতার সংখ্যা দাঁড়াবে ১ কোট। ট্যাক্স নেট বাড়ানোর এ উদ্যোগ অত্যান্ত প্রশংসনীয়।

অর্থসূচক/জেডএ