নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

‌‍‌‌‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসার সক্ষমতা বাড়াবে’

dcci.15.12.13দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি ঘটলে দুর্নীতি কমে যাবে।ক্লাউড কম্পিউটিং নামের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যয় সাশ্রয় করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।এতে তাদের সক্ষমতা বাড়বে।ব্যবসার প্রসার ঘটবে।

ঢাকা চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) এর সভাপতি মো.সবুর খান এ কথা বলেছেন। রোববার ডিসিসিআিই কার্যালয়ে ‘ইনফর্মেশন ইকোনমি রিপোর্ট-২০১৩: দ্যা ক্লাউডি ইকোনমি অ্যান্ড ডেভেলপিং কান্ট্রিজ’ শিরোনামের প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন,ক্লাউড কম্পিটিং এর মাধ্যমে মানুষের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।এই সেবা ব্যবহার করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় স্বল্পমূল্যে পেতে পারবেন।কোনো বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে ক্লাউড কম্পিউটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও মনে করেন তিনি।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে অন্তর্ভূক্ত হয়ে তা বাস্তবায়নের সরকারে পৃষ্ঠপোষকতার দাবি করেন তিনি।তাছাড়া সুস্পষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন,তথ্য প্রযুক্তির কারণে দুনিয়ার সব কিছু আজ হাতের মুঠোয়।বিএফটিআই সেবা চালু রাখতে সব ধরণের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।ক্লাউড কম্পিটিংয়ের সেবা পেতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

‘ইনফর্মেশন ইকোনমি রিপোর্ট-২০১৩’ জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএনসিটিএডি এর একটি বার্ষিক প্রতিবেদন।এই প্রতিবেদনে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত পরিসেবা ও অবকাঠামোয় দেশগুলোর অবস্থান তুলে ধরে।

প্রতিবেদনে উঠে আসে ‘ক্লাউড কম্পউটিং’ পরিভাষার মাধ্যমে নিজস্ব কম্পউটার কিংবা তথ্যাদি সংরক্ষণ না করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য পরিসেবা পাওয়া যাবে।যেখানে গ্রাহকের অফিস,বাসা-বাড়ি,ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু এই পরিসেবার অন্তর্ভূক্ত করানো সম্ভব হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৪০ শতাংশের বেশি ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন।ক্লাউডি কম্পিউটিং সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর তুলনায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশের মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইলেক্ট্রনিক মেইল ও সামাজিক যোগাযোগের মত পরিসেবার উল্লেখযোগ্য ব্যবহার থাকলে অনুন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশের মধ্যে তা সীমিত।

২০১২ সালে এই সেবার আওতায় ইউরোপ ও আমেরিকায় ৬০ শতাংশ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় এর ব্যবহার মাত্র ২ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,কোরিয়াতে যেখানে প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্যে ২৭০০ নিরাপদ সার্ভার রয়েছে।সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ১ এরও নিচে। তাছাড়া উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে ব্রডব্যান্ডের ব্যবহার সন্তোষজনক পর্যায়ের অনকে নীচে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে এখন মোবাইল ভিত্তিক নিম্নগতির ইন্টারনেট ব্যবহৃত হয় যা ক্লাউড সেবার উপযোগী নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১২ সালে উন্নত দেশে ২৮ শতাংশ উচ্চ গতির স্থায়ী ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করে।যা বাংলাদেশে এই সংখ্যা দশমিক তিন শতাংশ। অনুন্নত দেশে এই সংখ্যা দশমিক দুই এর সামান্য উপরে। আবার উন্নত দেশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করে ৬৭ শতাংশ যা বাংলাদেশে দশমিক ৫ শতাংশ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ