দ্বিতীয় দফায় বাড়লো পুন:অর্থায়নের আবেদন সময়সীমা
বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

দ্বিতীয় দফায় বাড়লো পুন:অর্থায়নের আবেদন সময়সীমা

se_investorপুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়ন সুবিধার ঋণে আবেদনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কাঙ্খিত সাড়া না পাওয়ায় দ্বিতীয় বাড়ের মতো সময় বাড়িয়েছে পুন:অর্থায়ন তদারকি কমিটি। চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। পুন:অর্থায়ন তদারকি কমিটির প্রধান ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যাণ্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বিষয়টি অর্থসূচককে নিশ্চিত করেছেন।

 

পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়ন সুবিধার ঋণে বিনিয়োগকারীদের সাড়া না পাওয়ায় বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে তদারকি কমিটি। ওই বৈঠকে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো ও শর্তশীথিলসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দেন তারা। এরই প্রেক্ষিতে আবেদনের জন্য ১৫ দিনের সময় বাড়ায় তদারকি কমিটি। যা চলতি বছরের ১৫ ডিসেম্বরে শেষ হয়। এবারে তেমন সাড়া না পাওয়ায় তা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করেছে পুন:আর্থায়ন তদারকি কমিটি।

যানা যায়, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৩১টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস গঠিত তহবিলের সহায়তা পেতে আবেদন জানিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ৭ হাজার ৩৮০ জন বিনিয়োগকারীর প্রায় ২১৯ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এ অবস্থায় সময় বাড়ানো হলে আরো বেশি আবেদন পড়বে বলে আশা করছে কমিটি। এ কারণে দ্বিতীয় বার সময় বাড়ানোর ব্যাপারে কমিটি মত দিয়েছে।

উল্লেখ, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য সকারের পক্ষ থেকে নয়শো কোটি টাকার পুন:অর্থায়ন তহবিল ঘোষণা করা হয়েছ। ইতোমধ্যে তার প্রথম কিস্তির তিনশো কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এ তহবিল থেকে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজকে ঋণ দেওয়া হবে। এর বিপরীতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ২০১১ সালের মার্জিন ঋণের সুদের অর্ধেক মওকুফ করবে। বাকী সুদসহ আসলকে একটি ব্লক হিসাবে রেখে তিন বছরে ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যেসব বিনিয়োগকারীর নিজস্ব মূলধন ছিল সর্বোচ্চ দশ লাখ টাকা শুধু তারাই এ সুবিধা পাবেন।

এদিকে, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফ সুবিধা যেসব শর্ত দেয় সেগুলো হলো- ঋণের জামানত হিসাবে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক-ব্রোকারকে করপোরেট গ্যারান্টি প্রদান করতে হবে, ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করতে পারবে এবং নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ( মাচেন্ট ব্যাংক/ স্টক ব্রোকার) নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ