মরণও পারেনি প্রণয়ের দুরত্ব বাড়াতে

0
97

couple1ব্যপারটি কাকতালিও হতে পারে। আবার হতে পারে তীব্র ভালোবাসার শুন্যতা সইতে না পেরে চলে যাওয়া। কিন্তু ঘটনা সত্যিকারে যাই হোক এটি সাড়া ফেলেছে সমগ্র বিশ্বে।

হেলেন ফ্লামলি ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন কেনেথ ফ্লামলিকে। সেই ৭০ বছর আগে এক ছাদের তলে ভাগাভাগি শুরু করেন পরস্পরের অনুভুতি, ভালোলাগা-মন্দলাগা। সাত দশকের এই জীবনে ভালোবাসার বাধন তাদের এমন শক্ত ছিলো যে, মুহূর্তের জন্যও কেউ কাউকে ছেড়ে যাননি, কেউ দূরে যাননি আরেক জনকে ফেলে । আর এই জন্যই হয়তো মরণও পরস্পরকে খুব বেশি দূরে নিতে পারেনি।

তাইতো এক জন পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার মাত্র ১৫ ঘণ্টা পরেই আরেক জনও তার পথেই চলে গেলেন।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭০ বছর আগে ভালবেসে ঘর বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। জীবনের কোনো পর্যায়ে তারা একজন আরেকজনের সঙ্গ ছাড়েননি।

হেলেন-কেনেথ দম্পতির আট সন্তানের প্রত্যেককেই তাদের বাবা-মায়ের এ অপূর্ব ভালবাসার কথা জানিয়েছেন। মেয়ে লিন্ডা কোডি বলেন, তারা ১৯৪৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকেই একসাথে আছেন। তারা একে অন্যকে এতটাই ভালবাসতেন যে কেউ কাউকে ছাড়া সকালের নাস্তাটিও করতেন না।

তিনি আরও বলেন, মা যাবার পর বাবার মুখটা অনেক কালো হয়ে যায়। তাইতো শোকের বোঝা বইতে না পেরে পরের দিন সকালেই তিনি মারা যান।

তবে তার ছেলে জিম ফ্লামলি জানিয়েছেন, কয়েক বছর থেকে তাদের দুজনের স্বাস্থ্যের কিছুটা অবনতি হয়েছিলো। তবে তার মা মারা যাওয়ার সময়ও তারা একে অপরকে শক্তভাবে ধরে রেখেছিলেন বলে  জানান ছেলে জিম।