কাঁচামাল সংগ্রহে উৎসে কর প্রত্যাহার চায় বিজিএপিএমইএ

0
78

bgpmea-nbrস্থানীয় বাজার থেকে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে উৎসে কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। এসব  কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৪ শতাংশ উৎসে কর রপ্তানিকারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ উল্লেখ করে আসন্ন বাজেটে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব (এনবিআর) ভবনের করফারেন্স হলে প্রাক বাজেট আলোচনায় তারা এনবিআর কাছে এ কর প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ সময় সংগঠনটির সভাপতি রাফিজ আলম চৌধুরী বলেন, ‘স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের জন্য আমাদের উৎসে কর প্রদান করতে হয়। অথচ বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে এ ধরণের কোনো কর দিতে হয় না। এটি একটি বৈষম্যমূলক আচরণ।’

তাই রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থানীয় বাজার থেকে কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে উৎসে কর প্রত্যাহারের আবেদন জানান তিনি।

তিনি ২০১৪-১৫ সালের বাজেটে রপ্তানিমুখী এ খাতের প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে একটি করে ডেলিভারি ভ্যান (পিক আপ) শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ প্রদানের জন্য আহবান জানান।

রাফিজ আলম অভিযোগ করে বলেন, রপ্তানিমুখী পোশাক খাত করের আওতামুক্ত থাকলেও ইদানিং শতভাগ রপ্তানিমুখী গামের্ন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্প প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রকিউরম্যান্ট ভিত্তিক উৎসে কর আরোপ করা হচ্ছে। এতে এ শিল্প নানামুখী হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই এ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে করের আওতা মুক্ত রাখার আহবান জানান তিনি।

বার্ষিক আমদানি প্রাপ্যতা অত্র এসোসিয়েশনের ওপর ন্যস্ত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এ এসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১১-১২ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বন্ড লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুই বছরের জন্য নবায়নের অনুমতি এ সংগঠনটির ওপর ছেড়ে দেয়। কিন্তু আমদানি প্রাপ্যতা এখনও বন্ড কমিশনারের অফিস হতে ইস্যু করা হচ্ছে। এ আমদানি প্রাপ্যতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বন্ডারদের সময়ের অপচয়, অর্থ খরচ এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বার্ষিক প্রাপ্যতা তালিকা যথাসময়ে প্রদান না করার কারণেও আমদানি কারকগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

তাই আমদানি প্রাপ্যতার বিষয়টি এ সংগঠনের ওপর ন্যস্ত করা হলে বন্ডারগণ হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পাবেন এবং রপ্তানির গতিশীলতা বাড়বে বলে তিনি দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, রপ্তানি কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে বিজিএমই এবং বিকেএমই-এর মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠানের একাধিক স্থান হতে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কন্টিনিউয়াস বন্ড প্রদানের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। তবে  এ সুবিধার আওতায় নেই এ সংগঠনের নাম। বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ-এর মতো এ সংগঠনটিকেও যেন কন্টিনিউয়াস বন্ডের সুবিধা প্রদান করা হয় তার জন্য সংগঠনটির পক্ষ থেকে পুনরায় আবেদন করা হয়েছে।

এসএই/