চালকের আসনে সরকারি শেয়ার

0
38
Sorkari Share

Sorkari Shareপুঁজিবাজারে ঝলসে উঠেছে সরকারি কোম্পানির শেয়ারগুলো। নিয়েছে চালকের ভূমিকা। গত কয়েকদিন ধরেই এই শেয়ারগুলো লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছে। তবে বুধবার এ কোম্পানিগুলোকে সবচেয়ে জোরালো অবস্থানে দেখা যায়। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে সেরা ১০ কোম্পানির তালিকায় ৫ টি সরকারি কোম্পানির শেয়ার জায়গা করে নেয়।

বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো লেনদেনে সবার শীর্ষে অবস্থান করে জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম। শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে আসে পদ্মা অয়েল, সপ্তম স্থানে তিতাস গ্যাস, নবম স্থানে যমুনা অয়েল এবং দশম স্থানে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।

তবে লেনদেনে নেতৃত্ব দিলেও শেয়ারের মূল্য পরিবর্তনে ছিল মিশ্র অবস্থা। আগের দিন তিন তেল বিপণন কোম্পানির শেয়ারের দামে বড় উল্লম্ফন দেখা গেলেও, বুধবার এ চিত্র বদলে যায়। এদিন তিনটি কোম্পানিরই শেয়ারের দাম কমে। মুনাফা তুলে নেওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তবে বুধবার ডেসকো, পাওয়ারগ্রিড, তিতাসসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের বৃদ্ধি পায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক-বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আস্থা হারানোয় কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে। অন্যদিকে বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ারের দাম গত কিছুদিনে অনেক বেড়ে গেছে। তাই বিনিয়োগকারীরা বিকল্প খুঁজছেন। অন্যান্য শেয়ারের তুলনায় মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও কম থাকায় অনেকেই বিভিন্ন সরকারি কোম্পানি, বিশেষ করে জ্বালানি-বিদ্যুত খাতের কোম্পানিগুলোকে বেছে নিয়েছেন। তাই এ খাতের শেয়ার নেতৃত্বের অবস্থানে চলে আসে। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি খাতের সরকারি কোম্পানিগুলো লেনদেনে আধিপত্য বিস্তার করায় তার প্রভাব পড়েছে অন্যান্য সরকারি কোম্পানির শেয়ারে।

বুধবার মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার দর কমলেও এই শেয়ারের লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি টাকার। এছাড়া পদ্মা অয়েলের লেনদেন ১৪ শতাংশ কমেছে। তবে লেনদেন হয়েছে ৩৩ কোটি টাকার। এদিকে তিতাস গ্যাসের শেয়ার  দর বেড়েছে ৩ শতাংশ। আর লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি টাকার।

এদিকে যমুনা অয়েলের শেয়ার দর কমেছে ৩ শতাংশ। তবে লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি টাকার। আর বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের দর বেড়েছে ১১ টাকা। এদিন কোম্পানির ৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ছাড়া বাকি কোম্পানিগুলোর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১০ থেকে ১৫ এর ঘরে।

অর্থসূচক/এসএ/এমআরবি/