নরসিংদীতে তিন মামলায় বিএনপির ৪৫ নেতাকর্মী কারাগারে

0
30
norsingdi

norsingdiনরসিংদীতে তিন মামলায় বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুর ১টার দিকে নরসিংদীর মুখ্য বিচারিক হাকিম নিতাই চন্দ্র সাহার আদালতে নেতা-কর্মীরা আত্মসমর্পন করলে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত বছর বিএনপির টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের সময় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, গাড়ি ভাংচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা এই তিন মামলায় সদর বিএনপির সভাপতিসহ ৪৫ জন নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরা হলেন- সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সমীর ভূঁইয়া, মাধবদী পৌর বিএনপির সভাপতি আমান উল্লাহ, সাধারণ-সম্পাদক মো. জাকারিয়া, সাংগঠনিক-সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরিদ, মাধবদীর পৌরসভার কমিশনার মকবুল হোসেন, সোলায়মান হোসেন, সদর উপজেলা তাঁতীদলের সাধারণ-সম্পাদক মো. আজাহার আলী, মাধবদী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ-সম্পাদক আল আমিনসহ ৪৫ জন।

জানা যায়, গত বছরের ৩০ অক্টোবর বিএনপির ডাকা টানা ৬০ ঘন্টার হরতালে নেতা-কর্মীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীর মাধবদীতে হরতালের সমর্থনে মহাসড়কে গাছের গুড়ি ফেলে মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন নাশকতা চালায়। এসব ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় বিএনপির ৯৩ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দ্রুত বিচার আদালতে একটি ও সহিংসতা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন। এসব মামলায় বিএনপির ৭৩ জন নেতা-কর্মীকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তিনটি মামলায় অভিযোগপত্রের ৪৫ জন নেতা-কর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত সহিংসতা ও সরকারি কাজে বাধা মামলা দুটিতে  মামলা জামিন আবেদন গ্রহণ করলেও বিস্ফোরক মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির বলেন, আমাদের নেতা-কর্মীদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।