আইসিটি খাতে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে বিসিএস

0
37
BCS

BCSসরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আগামি সাত বছরের জন্য কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। এছাড়াও সমিতি বাজেটে আইসিটি খাতে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁ রোডের সোনার তরী টাওয়ারের বিসিএস মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট প্রস্তাবনা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় বিসিএস কার্যনির্বাহী কমিটি।

সম্মেলনে তথ্য-প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল যন্ত্রাংশ ও অনুষঙ্গ যৌক্তিকভাবে সমহারে শুল্কায়িত করতে এইচএস কোড এর শ্রেণি স্থানীয়ভাবে পুনর্বিন্যাস অথবা কর হার সুবিন্যস্ত করার দাবি জানানো হয়।

একই সাথে আউটসোর্সিং ও ই সেবার বিকাশ ধারা ত্বরান্বিত করতে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং অন্তত পাঁচ বছরের জন্য প্রযুক্তি ব্যবসায়ের বাড়িভাড়ার ওপর ৯ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার এবং ই- বাণিজ্যের সকল লেনদেনের ওপর থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহার সহ সাত দফা দাবি জানানো হয়।

এছাড়া আমদানি ও সরবরাহ পর্যায়ে কোনো আয়কর আরোপ না করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএস-র সভাপতি মাহফুজুল আরিফ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের আশ্বাস অনুযায়ী ‘ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ’ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ডিজিটাল ক্যামেরা, ২৭ ইঞ্চি পর্যন্ত মনিটর, মাল্টি ফাংশনাল প্রিন্টার, ইন্টারনেট সংযোগের জন্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইস এর শুল্ক হ্রাস করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

পাশাপাশি সম্ভাবনাময় তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের উন্নয়নে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ এআইটি এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, আনুপাতিক হারে দেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত পোশাক শিল্প থেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশমানতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি। এই খাতে কঠোর কায়িক শ্রম না দিয়েও কম্পিউটারের মতো ডিজিটাল ডিভাইস আর ইন্টারনেট ব্যবহার করে বছরে আয় হচ্ছে মিলিয়ন ডলার।

এক্ষেত্রে কম্পিউটার আমদানির ওপর শুল্কমুক্ত সুবিধা উন্নয়নের পথ সুগম করেছে বলেও জানান তিনি।

এমআর/এআর