বৈশাখের প্রথম প্রহরে রবীন্দ্র সরোবর

0
96

Robindro Sorobor 1 (1)“‌বৈশাখ মাসে আইসো বন্ধু বৈশাখী গান লইয়া
জৈষ্ঠ্য মাসে আইসো বন্ধু আম-কাঁঠাল লইয়া।”

জনপ্রিয় লোক সঙ্গীতের প্রথম দুই চরণেই বোঝা যায়, বৈশাখ মাসে  প্রিয়জনকে কাছে টানতে কতই না বায়না। তবে বৈশাখ মাসে শুধু প্রিয়জনকে কাছে টানতেই নয়, আজ যেন সকল বাঙালির সব ভেদাভেদ ভুলে একসাথে উৎসবে মাতার দিন।

তাইতো আজ নববর্ষের প্রথম প্রহরে “শুভ নববর্ষ ১৪২১” কে বরণ করে নিতে ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। বৈশাখের প্রথম প্রহরে “ এসো হে বৈশাখ, এসো এসো” গানটি গেয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।

সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরু হয়ে শেষ হয় সাড়ে বারোটায়। ধানমণ্ডি ক্লাব লিমিটেড এবং এসএ টেলিভিশনের যৌথ প্রযোজনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। বৈশাখের প্রথম প্রহরে তিনি উপস্থিত সবাইকে বৈশাখের অভিন্দন জানান। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি একমাত্র জাতি। যারা ভোরবেলা নববর্ষকে বরণ করে।

ধানমণ্ডি ক্লাবের সভাপতি হারুণ –অর রশীদ বলেন, ১৯৯৯ সাল থেকে ধানমণ্ডি ক্লাব পহেলা বৈশাখকে উদযাপন করে আসছে। এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী দিন। রাজধানীতে বর্ষবরণ আয়োজনে রমনা বটমূলের পরেই রবীন্দ্র সরোবরের স্থান। রোববার সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ধানমণ্ডি লেকপাড়, রবীন্দ্র সরবর প্রাঙ্গণে জনতার ঢল নামে।

কথা হয় কলাবাগানের বাসিন্দা নাসিমার সঙ্গে। তিনি বলেন,“আমি প্রতি বছরই রবীন্দ্র সরোবরে আসি। আজকের দিনটা অনেক ভালো লাগছে”।

এ সময় প্রবাসী লায়লা রহমান অর্থসূচককে বলেন, ৩০ বছর পর পয়লা বৈশাখ উদযাপন করছি বাংলাদেশে। আমি খুব খুশি। দেশের মানুষের সাথে বৈশাখ উদযাপন করতে পেরে ভালো লাগছে।

উৎসব মানে না কোনো ভেদাভেদ। তাইতো বাঙালির বর্ষবরণে বিদেশিরাও মেতেছিল লাল-সাদা পোশাকে।

এসএ/এআর