খুলনার হোটেলে পান্তা-ইলিশের সাথে চিংড়ি ভর্তা

0
57

Panta_Ilish_বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাবেন অনেকই। কিন্তু সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ির শহর খুলনার মানুষ ইলিশের সাথে পাবে চিংড়ি ভর্তা। প্রায় প্রতিটি হোটেল রেস্টুরেস্টে থাকবে এ আয়োজন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনার সব হোটেলে মেন্যুতে রয়েছে ইলিশ ও বাগদা,গলদা ও চাকা চিংড়ি ভর্তা। অভিজাত হোটেলে নববর্ষে এক টুকরা ইলিশের মূল্য নির্ধারণ হয়েছে আড়াইশ’ টাকা। চিংড়ি ভর্তার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ থেকে ২০০ টাকা। ফুটপাথের ও ছোট হোটেলগুলোতে বিক্রি হবে ভিন্ন ভিন্ন দামে।

হোটেল ওয়েস্টার্ন ইনের কর্মচারী আব্দুর রশিদ জানান, বাংলা নববর্ষের সকালে জনপ্রতি চিংড়ি ভর্তা ৫০ টাকা, আলু ভর্তা ৩০ টাকা, ভাত ৪০ টাকা এবং এক টুকরো ইলিশের মূল্য ২২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। তরমুজ, বাঙ্গি ও মিষ্টি বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

হোটেল রয়্যাল রেস্টুরেন্টের ক্যাশিয়ার মাহমুদ হাসান জানান, সকালে সাদা ভাত ও ইলিশ মাছের ব্যবস্থা রয়েছে। জনপ্রতি ডাল, ভাজি ৬০ টাকা, প্রতি প্লেট ভাত ৬০ টাকা ও ইলিশ প্রতি টুকরো ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাসেল সালামের রেস্টুরেন্টের হিসাব রক্ষক জানান, প্যাকেজে জনপ্রতি আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তা, ইলিশ, পটল ভাজি, আম ডাল ও চাটনির মূল্য ৪৫০ টাকা। শুধুমাত্র এক টুকরো ইলিশের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০ টাকা। ক্রেতাদের স্বাগত জানিয়ে কলা, তরমুজ, বাঙ্গি ও বাতাসা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

দৌলতপুর লঞ্চঘাট এলাকার হোটেলগুলোতে এবং নগরীর মাঝারী হোটেলগুলোতে প্রতি টুকরো ইলিশের মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ৬০ টাকা।