চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি

0
38

Sovajatraবাংলা বর্ষবরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মঙ্গল শোভাযাত্রা। প্রতি বছরের  ন্যায় এ বছরও বৈশাখের দিন সকাল আটটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে এই শেভাযাত্রা বের হয়ে রূপসী বাংলা হোটেল হয়ে আবারও চারুকলায় এসে শেষ হবে।

এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় দেশের চলমান রাজনৈতিক সামাজিক পরিস্থিতির ইতিবাচক-নেতিবাচক দুটি দিকই তুলে ধরা হবে।

থাকবে বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী শিল্পকর্ম। বাংলা সংস্কৃতির পরিচয়বাহী নানা প্রতীকী উপকরণ, রং বেরংয়ের মুখোশ ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি।

এপ্রিলের ১ তারিখ থেকেই চারুকলার শিক্ষার্থীরা শুরু করেছে মঙ্গলশোভাযাত্রার প্রস্তুতি। প্রতিবছরের মতো এ বছরও চারুকলার শিক্ষার্থীরা মেতে উঠেছে এ মহাযজ্ঞে।

মঙ্গলশোভাযাত্রা চারুকলা অনুষদের নিজস্ব আয়োজন হলেও এর সীমানা ছাড়িয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা পরিণত  পয়লা বৈশাখের এক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষঙ্গে। ১৯৮৯ সালে চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো আয়োজন করে মঙ্গল শোভাযাত্রার।

এ বছর বৈশাখের শোভাযাত্রার জন্য হাতি ঘোড়া সাম্পানের বড় বড় কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সমন্বিত অংশগ্রহণে তৈরি করা হয়েছে মুখোশ ও নানা কারুপণ্যের। জাতিগতভাবে নাগরিকদের সৌন্দর্যবোধ ও রুচি নির্মাণে এভাবেই কাজ করছে চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

নিজেদের আঁকা শিল্পকর্ম বিক্রি করেই তারা মেটায় শোভাযাত্রার জন্য নির্মীয়মান বিভিন্ন শিল্পকর্মের নির্মাণ খরচ। সেজন্য বিক্রি করে নিজেদের আঁকা শিল্পকর্ম। খুব কম দামে যে কেউ এসব শিল্পকর্ম কিনে সহায়তা করতে পারেন মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতিতে। সর্বস্তরের নাগরিকদের শিল্পকর্ম সংগ্রহ করতে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষার্থীর।

চারুকলা অনুষদে বৈশাখ উৎসবের পাশাপাশি চারুকলার জয়নুল গ্যলারিতে ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী হচ্ছে। এখানে পাওয়া যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী এই বিভাগটির শিক্ষার্থীদের করা অসাধারণসব শিল্পকর্ম গুলো।