খালেদার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত এদেশে শান্তি আসবে না: মায়া

0
97

mayaবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত এদেশে শান্তি আসবে না-এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। সাংগঠনিকভাবে খালেদাকে শায়েস্তা করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়স্থ দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি খালেদা জিয়াকে শয়তানের বংশধর এবং তারেক রহমানকে শয়তানের বাছুর বলে আখ্যা দেন মায়া।

তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘শয়তানের বাছুর তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় শয়তানের সঙ্গে ক্যান্টনমেন্টে ছিল। সে তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি।  এই বাছুর কোনো পাগল না। বাছুর যা বলেছে তা হলো সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ’।

আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েই বিএনপি মিথ্যাচারের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই চালিয়ে যেতে দলীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান তিনি।

আবারও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মায়া বলেন,‘এমন কোনো শক্তি নেই আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে। আমাদের ইতিহাস ধৈর্যের ইতিহাস। মহানগরের ইতিহাস কলঙ্কমুক্ত ইতিহাস। তারেক লন্ডনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বক্তব্য দিয়ে জাতির ওপর যে কলঙ্ক লাগিয়েছে, তা থেকে মুক্তি পেতে হলে এ বাছুরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের বক্তব্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরও তথ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চুপ কেন? ভারতের সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সংবাদ তাদের কোনো পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় না। অথচ তারেকের মতো একজন ফেরারি আসামির খবর আমাদের দেশের পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়।

পয়লা বৈশাখ উদযাপন, ১৫ এপ্রিল কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসের অনুষ্ঠানের পালনের উদ্দেশ্যে এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফয়েজউদ্দিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল হক প্রমুখ।

এসএসআর