আগামি মাসে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চূড়ান্ত চুক্তি

0
95
রূপপুর পারমানবিক কেন্ত্র
রূপপুর পারমানবিক কেন্ত্র
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয় ৫০ বছর আগে। পরবর্তীকালে এর কাজ আর না এগুলেও ২০১১ সালে কাজটি বেশ এগিয়ে যায়। সরকার প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেয় এবং রাশিয়ার সাথে চুক্তি করে। আর ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন…

আগামি মে মাসে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কমিশনের (রোসাতম) সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার। এ চুক্তিটি হয়ে গেলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারি মাসে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা ইস্যুতে মস্কোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দুটি সমঝোতা স্বারক সই হয়। রাশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী সের্গেই স্তোরচাক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব আবুল কালাম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রস্তুতিমূলক কাজের অর্থায়নে সহযোগিতা সংক্রান্ত ওই চুক্তিতে সই করেন।

এদিকে গত সপ্তাহে রোসাতমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনআইএইপি-এএসই’র মহাপরিচালক ভ্যালেরি লিমারেঙ্কো স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আগামি মে মাসেই বাংলাদেশের সঙ্গে তৃতীয় ও চূড়ান্ত চুক্তি হবে বলে তারা আশা করছেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের সই করা চুক্তির আওতায় আমাদেরকে প্ল্যান্টের নকশা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের কারিগরি দল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও সমীক্ষা চালিয়েছে। এখন প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ভ্যালেরি বলেন, রাশিয়ার সরকার ৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য। এই অর্থে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রকল্পের মোট খরচের ৯০% এর সংস্থান হবে। বাকী অর্থের যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি অনুসারে রোসাতম প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করবে এবং ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহারের পর বর্জ্য ফেরত নিয়ে যাবে।

১হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ ভাগ পূরণ হবে সেখান থেকে। পরিকল্পনা অনুসারে ২০২১ সাল নাগাদ ওই কেন্দ্রটির উৎপাদনে যাওয়ার কথা।