রপ্তানিতে নগদ সহায়তাসহ আয়কে করমুক্ত চায় কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশন

0
75

cold-storageআগামি অর্থবছরের বাজেটে আলু রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ও এ খাতের আয়কে করমুক্ত রাখার দাবি বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের। এছাড়া বিদ্যুৎ বিলের উপর ২০ শতাংশ রেয়াত ও বিলের থেকে ৫ শতাংশ মূসক প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাথে অনুষ্ঠেয়  প্রাক বাজেট আলোচনায় এ সুপারিশগুলো তুলে ধরবে সংগঠনটি। ইতোমধ্যে এ প্রস্তাবনা বাণিজ্য সংগঠনগুলোর শীর্ষ ফোরাম এফবিসিসিআইয়ের কাছেও জমা দিয়েছে তারা।

আসন্ন বাজেট প্রস্তাবনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় সংগঠনটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মেজর (অবঃ) মোঃ জসীম উদ্দীনের সাথে।

তিনি বলেন, প্রতি মৌসুমে যে পরিমাণ আলু উৎপাদন হয় তা সুষ্ঠভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে দেশের খাদ্য সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। দেশে উৎপাদিত খাদ্যশস্যের প্রায় ২০ শতাংশ আলু। যে পরিমাণ আলু উৎপাদিত হয় এবং আলু থেকে তৈরি পটেটো ফ্লেক্স, পটেটো স্টার্চ, পটেটো চিপস্ ও অন্যান্য পণ্য দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানী করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।

এজন্য আলু সংরক্ষণে নিয়োজিত হিমাগারসমূহের আয়কে করমুক্ত আয় হিসাবে কিংবা ন্যুনতম হারে কর প্রদানের সুযোগ প্রদান করে হিমাগার শিল্পের রুগ্নতা হতে রক্ষা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি হিমাগারকে মাসে মাসে কয়েক লাখ টাকা করে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয়। হিমাগার শিল্প ৭ মাস চালু থাকলেও ১২ মাসের ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা-বোনাস ও উচ্চ হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয় বিধায় এ শিল্প লাভজনক শিল্প হিসাবে পরিচালিত হয় না।

আর এসব কারণে হিমাগার শিল্পের ক্ষেত্রে কৃষিভিত্তিক শিল্পে প্রদেয় সুবিধার মত ব্যাংক ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ধার্য করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলের ওপর ২০ শতাংশ মওকুফ ও  ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে হিমাগার শিল্পকে কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসেবে বিবেচনায় আনতে হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, হিমাগার শিল্পের বিনিয়োগ বিনা ব্যাখ্যায় গ্রহণ করে এ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া পরিবেশ ছাড়পত্র এবং ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স রাখার বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

এইচকেবি/