মাদারীপুরে ইউএনও এবং এসিল্যান্ড অবরুদ্ধ

0
53
madripur-logo

madaripur_SK001মাদারীপুরে সরকারি নাজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষকের সাথে খারাপ ব্যবহার করার অভিযোগে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা।

এ সময় ইউএনও এর গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে তারা। প্রায় ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সমঝোতা বৈঠক শেষে পুলিশ প্রহরায় তাদের মুক্ত করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।

প্রতক্ষদর্শি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এইচএসসি ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষার শুরুর ১ ঘণ্টা পরে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম রফিকুল ইসলাম এবং সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝুমুর বালা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য ওই কলেজে যান। এ সময় তারা কলেজ কেন্দ্রের একটি কক্ষে প্রবেশ করলে দায়িত্বরত ওই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদুর রহমানের সাথে নিজেদের পরিচয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।

কলেজের শিক্ষকরা জানায়, কলেজের অধ্যক্ষের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না করে ওই সরকারি কর্মকর্তারা পরীক্ষার হলে ঢুকলে শিক্ষকরা তাদের পরিচয় জানতে চায়। এ সময় ঐ কর্মকর্তারা শিক্ষকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এই খবর জানতে পেরে বাইরে থাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা ঐ দুই কর্মকর্তার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

অপরদিকে এই ঘটনায় দুপুরে কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান ও সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবু বকর সিদ্দিকের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক হয়। বৈঠক উভয় পক্ষ সমঝোতায় আসে। পরে পুলিশ প্রহরায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম রফিকুল ইসলাম এবং সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝুমুর বালাকে কলেজ থেকে বের করে আনা হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ হিতেন চন্দ্র মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।

মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবু বকর সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। উত্তেজনা থাকায় কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

তবে এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম রফিকুল ইসলাম এবং সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝুমুর বালা কোন কথা বলতে রাজি হননি।

এএসএ/সাকি