ইউক্রেনের আরও তিনটি শহরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উত্থান

0
62

ukraineসমাধান নয়, আরও ঘনীভূত হচ্ছে ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত জটিলতা। ক্রিমিয়ার পর দেশটির ডনেটস্ক শহরে রাশিয়ার সমর্থকেরা সরকারি ভবনের দখল নিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা খারকিভ এবং লুহানস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এসব ঘটনার পেছনে পুতিন সরকারের ইন্ধন রয়েছে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। খবর বিবিসির।

ডনেটস্ক, খারকিভ এবং লুহানস্ক শহর তিনটি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত। শহরগুলোতে রুশ জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যাধিক্য রয়েছে। এছাড়াও এই শহর তিনটি ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

বিবিসি জানিয়েছে, রোববার বিচ্ছিন্নতাবাদীর ডনেটস্কের সরকারি ভবনের দখল নিয়ে নেয়। সোমবার ভিডিও বার্তায় শহরের অ্যাসেম্বলিতে এক বিচ্ছিন্নতাবাদী স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। তবে ওই ব্যক্তি অ্যাসেম্বলির সদস্য নন।

এদিকে খারকিভ এবং লুহানস্ক শহরে অবস্থান নিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ইউক্রনের পুলিশ লুহানেস্কের সাথে যোগাযোগের সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। তবে খারকিভকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন সরকার।

পূর্বাঞ্চলীয় শহরে সরকারি ভবনের দখল এবং স্বাধীনতার ঘোষণার তীব্র সমলোচনা করেছে ইউক্রেনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই ঘটনার পেছনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন।

উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে বাণিজ্যক চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানানোর পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়ানিকোভিচের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দেয় ইইউ’ সমর্থকরা। প্রায় তিনি মাস পর আন্দোলনকারীদের চাপে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন ইয়ানুকোভিচ। এই ঘটনার পর রাশিয়া কার্যত ইউক্রেনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। পরবর্তীকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে পশ্চিমাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির ক্রিমিয়ার প্রদেশের রাশিয়া সমর্থক সরকার গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা করে রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার প্রস্তাব পাঠায়।