নকল স্যালাইন তৈরির কারাখানার সন্ধান

0
78
Rice

Riceরাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় নকল ও ভেজাল স্যালাইন তৈরির কারাখানার সন্ধান পেয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার সকালে বাড্ডার সাতারকুলের ১০ নম্বর আবদুল্লাহবাগে এই কারাখানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন ও স্যালাইন তৈরির উপকরণ।

মোড়ক দেখলে বোঝার কোনো উপায় নেই। হুবহু আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের তৈরি চালের স্যালাইনের মতো। কিন্তু নজরকাড়া এই মোড়কের ভেতর রয়েছে ভেজাল স্যালাইন।

নকল স্যালাইন ও স্যালাইন তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কারখানার মালিকসহ পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ এম আনোয়ার পাশা।

কারখানার মালিক সিদ্দিকুর রহমানকে দুই বছর কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, বিপণনকারী নবীন খানকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা এবং তিন কর্মচারী কবির হোসেন, স্বপন ও মাসুদ আকনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

কারখানায় সরেজমিনে দেখা গেছে, কর্মচারীরা মেঝেতে বসে ঘামে ভেজা হাতে গামলায় চালের গুঁড়ার সঙ্গে বিভিন্ন উপকরণ মেশাচ্ছেন। তারপর হিট মেশিন দিয়ে মোড়কজাত করছেন।

কারখানার মালিক সিদ্দিকুর রহমান জানান, এক প্যাকেট স্যালাইন তৈরি করতে খরচ পড়ে ৭ টাকা। বিপণনকারী এক প্যাকেট স্যালাইন বিভিন্ন ওষুধের দোকানে বিক্রি করেন ১০ টাকায়। ক্রেতারা প্রতি প্যাকেট কেনেন ১৫ টাকায়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ এম আনোয়ার পাশা বলেন, গরমে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা দেয় বিধায় বাজারে চালের স্যালাইনের চাহিদা রয়েছে। সেজন্য এর উত্পাদনও বেশি হচ্ছে।