ক্রিকেট
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » খেলাধুলা

বোল্টের কৃতিত্বে ম্যাককলামের প্রথম টেষ্ট জয়

Newzeland2ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৭৩ রানের বড় জয়ের মাধ্যমে ব্যান্ডন ম্যাককালাম অধিনায়ক হওয়ার পর প্রথম জয় পেল নিউজিল্যান্ড। আর এই জয়ের মাধ্যমে ম্যাককালামের ১৫ তম এবং নিউজিল্যান্ডের ২০ ম্যাচ পর জয়ের অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। আর এতে বড় ভুমিকা রাখে ট্রেন্ট বোল্টের দুর্দান্ত গতি এবং সুইং। তিনি একাই নেন ১০ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৪৪১ (টেলর ১২৯,ওয়াটলিং ৬৫)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস ১৯৩ (স্যামুয়েলস ৬০,এডওয়ার্ডস ৫৫) ও 

দ্বিতীয় ইনিংস ১৭৫ (পাওয়েল ৩৬,এডওয়ার্ডস ৩৫)
বেসিন রিজার্ভের সবুজ উইকেটে শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৫৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে বোল্টের দুর্দান্ত গতি এবং সুইংয়ের মুখে কোন প্রতিরোধই গড়তে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাত্র ৩৫ রান যোগ করেই অবশিষ্ট ৬ উইকেট জমা দেয় তারা স্বাগতিকদের কাছে। একইসঙ্গে ফলো অনেও বাধ্য হয় স্যামি বাহিনী। আগের দিন ৫০ রানে অপরাজিত থাকা মারলন স্যামুয়েলস ৬০ রান করে বোল্টের শিকার হন। নরসিং ডিওনারিন করেন ২২ রান। উইকেটরক্ষক দিনেশ রামদিন ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ট্রেন্ট বোল্ট অসামান্য বোলিং নৈপূণ্য উপহার দিয়ে ১৫ ওভারে ৫ মেডেনসহ ৪০ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন। এছাড়াও কোরে অ্যান্ডারসন ২০ রানে এবং টিম সাউদি ৫৮ রানে দুটি করে উইকেট নেন।

স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৪৮ রানে পিছিয়ে থেকে ফলো অন করতে নামা অতিথিদের দ্বিতীয় ইনিংস বেশ আস্থার সঙ্গেই শুরু করেন কার্ক এডওয়ার্ডস ও কেইরন পাওয়েল। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৪ রানও সংগৃহীত হয়। কিন্তু এরপরই আঘাত হানেন সাউদি। ৭৪ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করা পাওয়েল এবং ৩৫ রান করা এডওয়ার্ডসকে পর পর তুলে নেন এই অভিজ্ঞ পেসার। এর মাঝেই আগের টেস্টের তারকা ড্যারেন ব্রাভোকে রানের খাতা খুলতে না দিয়ে সাজঘরে ফেরত পাঠান নেইল ওয়াগনার। প্রথম ইনিংসের সফল ব্যাটসম্যান মারলন স্যামুয়েলসকে ১২ রানে ফেরান সাউদি। আর ক্যারিবীয়দের লেজ মুড়িয়ে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৭৫ রানেই শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস। অভিজ্ঞ শিবনারায়ন চন্দরপল ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফলে ইনিংস ও ৭৩ রানের বড় হার মেনেই দুই দিন হাতে রেখেই টেস্ট শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

প্রথম ইনিংসে ৪০ রানে ৬ উইকেট নেয়া বোল্ট দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচে ৮০ রানে ১০ উইকেট নেয়ায় ক্যারিয়ার সেরা ম্যাচ ফিগারও পেয়ে যান এই বাঁহাতি ফাস্ট বোলারটি। সাউদি ২৪ রানে ৩ এবং ওয়াগনার ৬৭ রানে ২ উইকেট নেন। অসাধারণ এই বোলিং নৈপূণ্যের জন্য বোল্ট ম্যাচসেরা খেলোয়াড় মনোনীত হন।
নয়ন

এই বিভাগের আরো সংবাদ