আইপিও’র অর্থ ব্যবহার নিশ্চিতে কঠোর শর্ত

0
73
Share Taka
Share Taka

Share_Taka_2প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর শর্ত আরোপ করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এখন থেকে পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার বিষয়ে আন্তর্জাতিক কোনো চার্টার্ড একাউন্টেসি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত অডিটরের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আর তা দিতে হবে মাসিক ভিত্তিতে।

গত মাসে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্সের ২২ সি ধারা বলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, আইপিও’র প্রসপেক্টাসে বর্ণিত সময়সূচি অনুসারে সংশ্লিষ্ট খাতে ব্যয় করতে হবে পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। কোম্পানির পৃথক ব্যাংক হিসাবে ওই অর্থ জমা রাখতে হবে। উত্তোলিত অর্থ কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, কতটা ব্যবহৃত হচ্ছে, কোন কোন খাতে তা ব্যয় করা হচ্ছে সে বিষয়ে প্রতি মাসে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে রিপোর্ট করতে হবে।

অবশ্য আগে থেকেই আইপিও’র অর্থ ব্যবহারের প্রতিবেদন জমা দিতে হত। কিন্তু অর্থ ব্যবহার সংক্রান্ত ওই রিপোর্টের সত্যতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ ছিল সংশ্লিষ্ট সবার মধ্য। কোম্পানির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের নামে আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ নয়-ছয় করা হত বলে অভিযোগ রয়েছে। আর অসাধু ওই উদ্যোক্তারা নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশ করেই এ অপকর্ম চালিয়ে যেত। এ প্রবণতা বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক অডিট ফার্মের সঙ্গে এফিলিয়েটড প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা প্রতিবেদন দেওয়ার শর্ত আরোপ করে।

এ ব্যাপারে বিএসইসির কমিশনার হেলাল উদ্দিন নিজামী অর্থসূচককে বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে তারা এ শর্ত আরোপ করেছেন। অনেক অসাধু উদ্যোক্তা বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর তা সঠিকভাবে কাজে লাগান না বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন না, দেশও বঞ্চিত হয়। কারণ শিল্পায়নের জন্যই আইপিও’র অনুমতি দেওয়া হয়। সঠিকভাবে অর্থ ব্যবহৃত না হলে শিল্প সম্প্রসারণ ও কাঙ্খিত কর্মসংস্থান হয় না।