বৃষ্টির আশংকা নিয়ে শুরু হয়েছে ফাইনাল

0
65
Dhonee-Malinga

Dhonee-Malingaঅল এশিয়ানদের মধ্যকার কাঙ্ক্ষিত ফাইনাল মঞ্চস্থ করতে প্রস্তুত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রস্তুত মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামও। আর তাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্লকবাস্টার এই ইভেন্ট। তবে, খেলোয়াড়-দর্শক-আয়োজকদের আশঙ্কা রয়েছে যেকোনো সময় কাল বৈশাখীর।

সেমিফাইনালের অস্তিত্বের লড়াইয়ে এই কাল বৈশাখী ঝড়ই কাল হয়েছিল গত বারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ওই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছিল বৃষ্টি আইনে। আবহাওয়াবিদরা পূর্ভাবাস দিয়েছেন আজকের ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৪০ ভাগ। সম্ভাবনার তালিকায় আছে ঝড় আর শীলাও।

তবে, কিছুটা হলেও বৃষ্টি আইনের উৎকণ্ঠা প্রশমিত করেছে সোমবারের রিজার্ভ ডে।অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল এড়ানোর জন্য আইসিসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লকবাস্টার লড়াইটা হবে কোহলির সাথে মালিঙ্গার। প্রতিপক্ষকে অনেক পেছনে রেখে এখন পর্যন্ত ভারতের অপরাজিত থাকার নেপথ্যের নায়ক বিরাটই। আর দৌঁড়ের মাঝখানে কাঁধে দায়িত্ব নেওয়া মালিঙ্গাও আছেন দোর্দণ্ড প্রতাপে।

ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের কৃতিত্বটা বগলদাবা করেছেন বিরাট কোহলিই। মোট ২৪২ রান করেছেন তিনি যার মধ্যে আছে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭২ রান।

আর অদ্ভুত বোলিং একশন আর চুলের স্টাইলে মাঠের দর্শকদের দৃষ্টি কাড়েন লাসিথ মালিঙ্গা। তার বোলিং ঝড়েও উড়ে যেতে পারে যেকোনো বাঘা ব্যাটসম্যান। আন্তর্জাতিক টি-২০তে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকার সবার উপরেও তিনি। তার দখলে রয়েছে ৩৮টি উইকেট। এরপরেই আছেন পাকিস্তানের সাইদ আজমল।

যদিও এই আসরে খুব একটা প্রতাপ দেখতে পারেননি বাহারি ঢংয়ের এই খেলোয়াড়। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে তার স্বীকার মাত্র ৫ উইকেট। আর শ্রীলঙ্কার মাহেলা-সাঙ্গাকারার এটাই হচ্ছে সর্বশেষ টি-২০। আর তাই জয়ের দরকারটা আরো বেশি মালিঙ্গার

তবে, দুই দলের জন্যই তুরুপের তাস হতে পারেন রঙ্গনা হেরাথ কিংবা অমিত মিশ্র। কেননা বাংলাদেশের উইকেটে স্পিন বিভাগই অধিকাংশ ম্যাচে নির্ধারণ করছে ফলাফল।

পরিসংখ্যানে কিছুটা হলেও এগিয়ে আছে ধোনি বাহিনী। টি-২০তে দুই দলের ৫ বারের লড়াইয়ে ভারত জিতেছে ৩টি আর ২টিতে শ্রীলঙ্কা।

দুই দলের লড়াইয়ে ভারতের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ২১১/৪, শ্রীলঙ্কার ২১৫/৫। কম রানের ইনিংস ভারতের ৩ উইকেটে ১৫৫ আর শ্রীলঙ্কার ১১৬ রান।

ব্যক্তিগত সংগ্রহ সবচেয়ে বেশি ভারতের সুরেশ রায়নার (১৬২), শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারার (১৮৩)।