‘অভিযান পরিচালনার পরও বিআরটিএ’তে দুর্নীতি বন্ধ হয়নি’

0
8

বিআরটিএ’তে অনেকবার অভিযান পরিচালনার পরও দুর্নীতি বন্ধ হয়নি স্বীকার করে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ জানিয়েছেন, সংস্থাটির অরাজকতা বন্ধে আইন মানতে বাধ্য করা হবে।

আজ সোমবার (১৩ আগস্ট) সকালে দুদক কার্যালয়ে এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন। বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা লোপাটের মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে, দ্রুত চার্জশিট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, কয়লা খনির যে দুর্নীতির তদন্ত, সেটা শেষ পর্যায়ে। সেটা অল্প সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দেব। বিআরটিএ’র বিরুদ্ধে যতগুলো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আর কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এত অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, কারাগারে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই লেজ সোজা হয়নি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমি দুর্নীতির ব্যাপারে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমাদের (দুদক) বিরুদ্ধেও অভিযোগ করতে পারেন। আমাদের মধ্যে যদি দুর্নীতি থাকে তবে অভিযোগ করুন। আমরা ব্যবস্থা নেব। আমাদের অনেক কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন। যারা আইন মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সামনের দিনগুলোতে কিভাবে আইন মানাতে হয় সেই ব্যবস্থা দুদক গ্রহণ করবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে ইকবাল মাহমুদ বলেন, সেই যে উল্টোপথের গাড়ি চলা। তা আজও বন্ধ হয়নি। ফুটওভার ব্রিজ রয়ে গেছে কিন্তু তা ব্যবহার হচ্ছে না। এটা ঠিক না। সুতরাং আইন না মানার প্রবণতায় আমরা সবাই দোষী। আসুন আমরা নিজেদের স্বার্থে, ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে নিজেদের আইনটা মানি। আইন জানি না বললে হবে না। কারণ আইনটা কিন্তু হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়েনি। বিবেকে যা বাধা দেয় সেটা আগে অনুসরণ করুন।

দেশের স্বীকৃত সকল এফ.এম বেতারে দুর্নীতিবিরোধী অনুষ্ঠান, জকিদের ব্যবহার, সোস্যাল মিডিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে বেতারের এসব কর্মসূচির জন্য কিছুটা হলেও আর্থিক সহযোগিতা দুদক করবে। বিভিন্ন এফএম বেতার কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের এক মাসের মধ্যে আলাদা প্রোগ্রাম সিডিউল ও কৌশলগত বিষয়গুলো জানানোর প্রস্তাব করেন।

অর্থসূচক/জেডআর