কুমিল্লায় মাদক ও চোরাকারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি

0
66
Comilla-

comillaকুমিল্লায় সীমান্তবর্তী পাঁচ উপজেলায় মাদক ও চোরাকারবারিদের আন্ডার গ্রাউন্ডের গডফাদারদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ জনগণ।

মাদকসেবীদের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি, ডাকাতি এবং ছিনতাই। সেই সঙ্গে তাদের অত্যাচারে আতংকে দিন কাটাচ্ছে বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার নারী-পুরুষ। মাদক ব্যবসার কারণে বিঘ্নতা সৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ জনগণের। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সংঘটিত হচ্ছে অপরাধ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কুমিল্লা সীমান্তের পাঁচ উপজেলার শতাধিক রুট দিয়ে প্রতিনিয়ত চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসব স্থান দিয়ে মাদক পাচারসহ নিরাপদে মালামাল বহন করতে প্রায়ই দেখা যায়। চোরাকারবারিদের নিরাপদ রুটগুলো হচ্ছে- চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, সদর দক্ষিণ, আদর্শ সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা এবং বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো।

নগরীর শাসনগাছা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় চলাচলকারী ভুক্তভোগিরা জানান, এই এলাকার মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত, মোক্তা বিবি, হজন বেগম, চশমা মোছলেম, নিশার, বিউটি আক্তার, হিজড়া লিটন, কাঠনুরু, বেবী বেগম, কানা পারুলী, রিপন, রুকু মিয়া, হিজড়া রাজ্জাক, শামীমা আক্তার, দুশু রানী, জ্যোৎনা বেগম, কালা, শিউলী, খুকি আক্তার, খোকা, জিয়া, দুলাল, বিপ্লব, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, ইউনুছ মিয়াসহ আরও অনেকে। ৭০-৮০ জন ব্যক্তি ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মাদকের এই রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

মাদক ব্যবসার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করে এর কোনো প্রতিকার না পেয়ে সাধারণ জনতা পাঁচ মিনিটের হাঁটার রাস্তায় না গিয়ে ২০-৩০ টাকা খরচ করে রিকশা দিয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছেন।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রশাসন মাদকের বিরদ্ধে বিভিন্ন সভা-সেমিনার করেলেও বাস্তবে তা কোনো কাজে আসছে না।

এ বিষয়ে কুমিল্লা পুলিশের এক কর্মকর্তা অর্থসূচককে জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়াও  প্রতিমাসে বিশেষ অভিযান নামে পুলিশ। মাদকসহ ব্যবসায়িদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালনো হচ্ছে এবং অভিযান এই অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করা হবে।