খাদ্যে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে

0
99
ছবি সংগৃহীত

Food_newsমার্চ মাসে সাধারণ ও খাদ্য উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এ মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশে। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।এদিকে খাদ্যখাতের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশে। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল।  উল্লেখ, মূল্যস্ফীতি বলতে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিকে বোঝায়।

রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র (বিবিএস) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

মার্চ মাসের মুল্যস্ফীতিতে দেখা গেছে, খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। এ মাসে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল বলেন, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিসহ চাল, তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় মার্চে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতিতে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৭ দশমিক ২০ শতাংশ।  আমরা আশা করছি এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। কেননা প্রতি মাসে মুল্যস্ফীতি হার কমছে। এটা আমাদেরকে আশ্বান্বিত করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, মজুদ থাকা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে চাল, ডাল, আটা, শাকসবজি,ফল,মসলা, তেল, দুধ ও অন্যন্য খাদ্য দ্রবাদির দাম বেড়ে যায়। জানুয়ারি মাসের তুলনায় মার্চ মাসে খাদ্য সামগ্রী উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা দশমিক ১৩ ভাগ। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল শতকরা দশমিক ২৪ ভাগ।

এছাড়া, পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়ী ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ দ্রব্য ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খাদ্য বহির্ভুত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে। মার্চ মাসে এ খাতে বেড়ে দাড়িয়েছে দশমিক ১৭ ভাগ। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল দশমিক ১৪ ভাগ।

তবে মার্চ মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর মার্চ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

গত এক বছরের মার্চ ২০১৩ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৫ ভাগ।  যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ দশমিক ২৩ ভাগ।

এইচকেবি/