নতুন আইপিও পদ্ধতি ‘পেপারলেস’ হচ্ছে

0
107

Share_Paperlessপ্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন ও তা প্রক্রিয়াকরণের প্রস্তাবিত নতুন পদ্ধতিতে কাগজের ব্যবহার কমে আসবে। এতে আবেদন করা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। শেয়ারের বরাদ্দপত্রও হবে ডিজিটাল। আর রিফান্ড ওয়ারেন্ট নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না বলে তাতে কাগজের ব্যবহারের প্রয়োজনই পড়বে না। আইপিও পদ্ধতিকে সহজ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করতে তাতে কাগজের ব্যবহার প্রায় শূণ্যের কোটায় নামিয়ে আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছ, নতুন পদ্ধতিতে বর্তমানের মত বড় কোনো আবেদনপত্র জমা দিতে হবে না। বিনিয়োগকারীকে শুধু তার ডিপি বা ব্রোকারহাউজকে আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেই চলবে। ডিপি কম্পিউটার সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল আবেদনপত্র তৈরি করবে।

লটারিতে শেয়ার বন্টনের পর সংশ্লিষ্ট ডিপির কাছে ডিজিটাল অ্যালটমেন্ট লেটার বা বরাদ্দপত্র পাঠানো হবে। তাতে তার হাউজের কোন কোন বিওধারী লটারিতে কৃতকার্য হয়েছেন এবং কতটি শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন (বিধি অনুসারে ৫০ টির বেশি শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ নেই) তার উল্লেখ থাকবে। ডিপি মনে করলে সংশ্লিষ্ট বিও হিসাবধারীর ই-মেইলে ওই বরাদ্দপত্রের কপি পাঠিয়ে দেবেন। তাছাড়া চাইলে কোনো বিনিয়োগকারী ডিপির কাছ থেকে বরাদ্দপত্রের কপির প্রিন্ট নিতে পারবেন।

অন্যদিকে আবেদনের সাথে কোম্পানির হিসাবে কোনো টাকা জমা দিতে হবে না বলে অকৃতকার্য আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত পাওয়ার (রিফান্ড) কোনো বিষয় থাকবে না। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে কোনো ওয়ারেন্টও (বিশেষায়িত চেক) ইস্যু করতে হবে না।

উল্লেখ আইপিও পদ্ধতি সহজ করতে গত বছরের নভেম্বর মাসে বিশেষ উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ধারাবাহিকতায় ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপির মাধ্যমে আবেদন জমা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আগামি এপ্রিল মাসে নতুন এ পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। এতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তার সমাধান করে আগামি জুন মাস থেকে এটি সব কোম্পানির আইপিও’র ক্ষেত্র বাধ্যতামূলক হবে।