‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নিজেদের সুধরে নিন’

গণজাগরণ মঞ্চের উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ

0
68
ছাত্রলীগ

ছাত্রলীগগণজাগরণ মঞ্চকে সকল মিথ্যা ও বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে এসে অতীতকে স্মরণ রাখার আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় অন্যের ঘাড়ে না চাপিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নিজেদেরকে সুধরে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ আহ্বান জানায় ছাত্রলীগ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে আমাদের কোন ধরণের সংশ্লিষ্টতা নেই, বিরোধও নেই। কিন্তু একটি বিষয় পরিস্কার তাদের নিজেদের মধ্যে কিছুদিন যাবত অস্থিরতা এবং উত্তেজনা আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শেখ আসমান ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাসিম আল মোমিন রূপককে লক্ষ্য করে ইমরান এইচ সরকার যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এবং অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

এ সময় তিনি বলেন, শেখ আসমান ও রূপকের বিরুদ্ধে তিনি যে অভিযোগ করেছেন তিনি যদি এর প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে তাকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে সেদিনের হামলার সঙ্গে তারা জড়িত তাহলে প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা জাতির কাছে ক্ষমা চাইবো।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, গণজাগরণ মঞ্চ কোন রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম। বিভিন্ন দলমত ও শ্রেণি পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি গঠিত। এখানে ৮ থেকে ১০টি ছাত্র সংগঠন, অর্ধশত সাংস্কৃতিক সংগঠন, ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের একাধিক সংগঠন একত্রে কাজ করে। ছাত্রসংগঠন সমূহের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে ব্লগার ইমরান এইচ সরকারকে মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান করেছেন। এ ধরণের অসত্য বক্তব্যে আমরা উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত হয়েছি। সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া যেন এক ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কথা বললে গণমাধ্যমে ভালো প্রচারণা পাওয়া যায়। এটি সত্যিই দু:খজনক।

এএইচ/সাকি