আজ মার্টিন লুথার কিংয়ের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী

0
82
martin-luther-king

martin-luther-kingবর্ণবাদের নিষ্পেষণে নরক যন্ত্রণায় পরিণত হয়েছিল অগণিত মানুষের জীবন। যেসব মানুষের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় পশ্চিমাদেশগুলোতে এই অমানবিক অভিশাপের বিদায় ঘটেছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা মার্টিন লুথার কিং। এই মহামানবের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

১৯৬৮ সালের এই দিনে আততায়ীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন মার্টিন লুথার কিং। ওই সময়ে তার বয়স ছিল মাত্র ৩৯ বছর। কিন্তু এর আগেই তিনি পৃথিবীর মানুষের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন বর্ণবাদ কত নিষ্ঠুর এবং মানুষের অগ্রগতির জন্য কতটুকু ক্ষতিকর। তিনি না থাকলে হয়তো আজ পৃথিবীটা সাদা-কালোর সম্মিলনে এতটা বর্ণিল হয়ে উঠত না।

বিশেষ করে, তার ‘আই হ্যাভ ড্রিম’ মানুষের মাঝে ভেদাভেদহীন সমাজ গঠনের অণুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। তার এই ভাষণকে মানবাধিকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে তার পথচলাটা মোটেও সহজ হয়নি। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র সরকার পর্যন্ত তার পিছনে গোয়েন্দা লেলিয়ে দিয়েছিল। এছাড়াও শ্বেতাঙ্গদের কাছ থেকে নানা সময় বিভিন্ন অপমান এবং নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। তবে হাল ছাড়েননি লুথার। বরং অহিংস মতবাদ প্রচার করে মানবতার জয়গান গেয়েছেন, আহ্বান জানিয়েছেন মানুষের পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য।

মানব কল্যাণে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৬৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয় করেছিলেন তিনি। তবে নোবেল নয়, মনে-প্রাণে সবসময় মানবতার বিজয় কামনা করেছিলেন তিনি।