‘আওয়ামী লীগের শাসন ব্যবস্থা এক তাসের ঘর’

0
140
Badruddin

Badruddinবর্তমান আওয়ামী লীগের শাসন ব্যবস্থা এক তাসের ঘর একে ভেঙ্গে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করলেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন ওমর।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আয়োজিত সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

বদরুদ্দিন বলেন, ৫ জানুয়ারির প্রতারণামূলক নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে নির্বাচন করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। তাই জনগণের হাতে ক্ষমতা আনতে জনগণের সংগ্রামকে বেগবান করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের জনবিচ্ছিন্নতা চরমে পৌঁছেছে। তারা পুরো প্রশাসনকে দলীয়করণ করে, দুর্নীতির সীমা অতিক্রম করেছে।

এ সময় শেখ মুজিবুর রহমানের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তানীরা হামলা চালাবে তা জেনেও তখন প্রতিরোধের কোনো ঢাক দেওয়া হয়নি। এমনকি ৭ মার্চ শেখ মুজিব এবার সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম এমন ঘোষণা দিয়ে ঘরে বসে ছিলেন। অথচ তার দলের নেতারা এখন বড় বড় কথা বলে।

তিনি বলেন, মুজিব ক্ষমতায় থাকাকালে বলেছিল সংসদে কোনো বিরোধী দল থাকবে না। তার উত্তরসুরিরা এখন সেই ধারা অব্যাহত রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

জামায়াত ইসলামীর উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, জামায়ত ইসলামী নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছে। একমাত্র সরকারের কারণেই তা হয়েছে। তবে, দলটি ওই সময় যে জঙ্গির পরিচয় দিয়েছে বর্তমান সরকার জনগণের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে তার চেয়েও বড় জঙ্গির পরিচয় দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি সবাই একই ঘাটের জল উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকা আর কেউ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যই রাজনীতি করছে। মেহনতি মানুষের পক্ষে এরা কেউই কথা বলে না। এ সময় সমাবেশে জামায়াতকে নিষিদ্বেরও দাবি তোলা হয়।

দলের সাধারণ-সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেন, বাংলাদেশ এখন ভারতের অধীনস্ত তা ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরে প্রমাণিত হয়েছে। হাসিনা সরকার ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের তাবেদারে পরিণত হয়েছে। তাই গণরাজনৈতিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে হঠাতে হবে।

এ সময় সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারী প্রদান করেন।

সংগঠনের সভাপতি বদরুদ্দীন উমরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় নেতা সজীব রায়, ভুলন ভৌমিক, শামীম আকতার, অংগ্য মার্মা, আবুল কালাম ও সামিউল আলম প্রমুখ।

জেইউ/এএস