আমিনুল হত্যাকাণ্ড: সিআইডির অভিযোগপত্র ভুল ও মিথ্যা

0
66
aminul

aminulপোশাক শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যার মামলার পুন:তদন্তের দাবি জানিয়েছে কমিটি ফর জাস্টিস ফর আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবার।

পলাতক মোস্তাফিজুর রহমানকে আসামি করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া অভিযোগপত্রটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা।

শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) গোলটেবিল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান কমিটি ফর জাস্টিস ফর আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবার।

এতে সভাপতিত্বে করেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আখতার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন নিহত আমিনুলের সহকর্মী বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির (বিসিডব্লিউএস) নির্বাহী পরিচালক কল্পনা আক্তার।

তিনি বলেন, সিআইডির দেওয়া অভিযোগপত্রটি সম্পূর্ণভাবে ভুল ও মিথ্যা।এতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সম্পৃক্ত করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে (জিএসপি) ফিরে পেতে তড়িঘড়ি করে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ হত্যা মামলার বিষয়ে দেওয়া অভিযোগপত্রটি আমিনুলের স্বজনেরা জানেন না। এখনো তারা অভিযোগপত্রের অনুলিপি হাতে পাননি। আমদের সংগঠন মনে করে এটা মিথ্যা অভিযোগপত্র।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আখতার বলেন, আমিনুলকে নির্যাতনের যে চিত্র দেখা গেছে, তাতে বোঝা যায়, এটা একজনের দ্বারা সম্ভব নয়। পরিকল্পিভাবে তাকে খুন করা হয়েছে। জিএসপি ফিরে পেতে সিআইডি চাপে পড়ে একটি ভুল ও মিথ্যা অভিযোগপত্র দিয়েছে।

আমিনুল হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে এর বিচার করা না হলে শ্রমিকেরা শিগগিরই আন্দোলনে নামবে বলে তিনি জানান।।

সংবাদ সম্মেলনে পোশাক শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম ফেডারেশনের অফিস থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। তারপর আশুলিয়া থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করার জন্য ঢাকা সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয় এবং সিআইডি অফিসার এএসপি ফজলুর কবির তদন্ত করেন।

জেইউ/ কেএফ