বাজেটে আইসিটি খাতে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি

0
66

NBR_ICTতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের অর্থনৈতিক দুরাবস্থা নিরসনে ও তথ্য প্রযুক্তির সেবা মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে এ খাতে আগামি অর্থবছরে ৪০০ কোটি বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে বেসিস ও বাকস। একই সাথে রাজস্ব বাজেটের ২ শতাংশ ও উন্নয়ন বাজেটের ৩ শতাংশ আইসিটি খাতে বরাদ্দের দাবি করা হয় এ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে এনবিআরের সাথে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বাকস) ও বাংলাদেশ সফটওয়ার ও তথ্য সেবা সংস্থা (বেসিস)।

এনবিআরের সদস্য আমিনুল করিমের পরিচালনায় এ আলোচনায় উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ই-কমার্স উৎসাহিত করতে ই-কমার্স ভিত্তিক পণ্য ও সেবা লেনদেন ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করলেও অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা, ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদানসহ নানান কাজে মূসক দিতে হয়। আর তথ্য প্রযুক্তির এ বাজারের সূচনা লগ্নে মূসকের বাধ্যবাধকতা থাকায় এ বাজারে নতুন উদ্যেগতা আসতে আগ্রহী হচ্ছে না। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিকাশমান ই-কর্মাসকে কমপক্ষে পাঁচ বছর ভ্যাট আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান তারা।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তিকে দ্রুত এগিয়ে নিতে কম্পিউটার সামগ্রীর বিভিন্ন কর হ্রাস ও প্রত্যাহারের আাবেদন করেন। এসময় তারা বিক্রয়ত্তোর মূসক বাৎসরিক প্যাকেজ ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা নেওয়ার পরিবর্তে মূল্য সংযোজন কর ৩ শতাংশ নেওয়ার দাবি জানান। আমদানি পর্যায়ে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ ও সাপ্লাই পর্যায়ে ১৩ শতাংশে থেকে ৩ শতাংশে কমিয়ে আানারও দাবি করেন তারা। এছাড়া ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এর ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করার ও ইন্টারনেট মডেম, প্রজেক্টর, ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণের উপর শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এসময় বেসিসের প্রতিনিধিরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আয়কর মুক্ত রাখার সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৫ সাল করাসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তারা এ খাতের মূল্য সংযোজন কর ৪ দশমিক ৫ শতাংশের পরিবর্তে শুন্য শতাংশ ও পোশাক শিল্পের ন্যায় এ শিল্পের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বাড়ি ভাড়ার মূসক মওকুফ দাবি করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এ খাতের আমদানি শুল্ক মোবাইল খাতের ন্যায় ১ শতাংশের পরিবর্তে ০ দশমিক ৬ শতাংশে নিয়ে আসার ও লাইসেন্স ফি ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ করার দাবি করেন।

এইউ নয়ন/শরীফ